মো. নুরুন্নবী বাবু (দিনাজপুর২৪.কম) দীর্ঘ ৮ মাসেও দিমেক হাসপাতালে চাঞ্চল্যকর ঔষধ চুরির মামলার তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করতে পারেনি পুলিশ। চাকুরী বাঁচানোর জন্য তদন্ত কাজ ধীর গতিতে চলছে।  মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছর ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় দিমেক হাসপাতালের ওয়ার্ড মাষ্টার সুমন কুমার কুন্ডু ঔষধ পাচারের সময় হাতেনাতে মেডি পয়েন্টের কর্মচারী সবুজ (২০) ও শিবলু (১৮)কে আটক করে। আটক ২ জনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মা ফার্মেসী ও আল আমিন ক্লিনিক থেকে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার শতাধিক আইটেমের ২ বস্তা ঔষধ উদ্ধার করা হয়। কোতয়ালী থানায় খবর দিলে পুলিশ আটক ২ জনের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে ওই রাতেই মা ফার্মেসীর মালিক জহুরুল ইসলাম (৪৫) ও আল আমিন ক্লিনিকের কর্মচারী সোহেল রানা (২১)কে গ্রেফতার করে। আটক ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হাসপাতালের ২ কর্মকর্তার নাম বেরিয়ে আসে। ভোরে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে দিমেক হাসপাতালের স্টোর কর্মকর্তা আজমানুল হক (৫০) ও সহকারী ষ্টোর কর্মকর্তা রেজাউল আলম শাহীন (৪০)কে গ্রেফতার করে। রাতে ওয়ার্ড মাষ্টার সুমন কুন্ড বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় দন্ড বিধি ৩৮০, ৩৮১, ৪১১, ৪১৩ ও ড্রাগ অধ্যাদেশের ১৯৮২ সালের ২০ ধারায় মামলা দায়ের করেন। চাঞ্চল্যকর ঔষধ পাচারের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে ডিবি পুলিশের এসআই বজলুর রশিদকে দায়িত্ব দেয়া হয়। আটক ৬ জনকে ৫ দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞসাবাদ করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা বলছেন আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে চুরির ঘটনা বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। যা তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা যাচ্ছে না। এদিকে আসামীরা আদালতের মাধ্যমে জামিন পেয়ে প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলাটি ভিন্ন খাতে  প্রবাহিত করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আসামীদের আশস্ত করে বলেছেন, চাকুরী বাঁচিয়ে রেখে যা যা করা দরকার সব কিছু করা হবে।