মো: নরুন্নবী বাবু (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার হিলির হাট-বাজারে অবাধে ক্যামিকেল দিয়ে পাকানো আম বিক্রি হচ্ছে। জ্যৈষ্ঠ মাসের ১১দিনের বেশি পেরিয়ে গেলেও উপজেলার হাট-বাজারে কোন গাছপাকা আমের দেখা মিলছেনা। অধিকাংশ হাট-বাজারে কেবল  কেমিকেল আর কার্বাইড দিয়ে পাকানো আম বিক্রি হচ্ছে।  বাংলাহিলি পৌর বাজারসহ উপজেলার ৩টি ইউনিয়নে ৫/৮টি হাট-বাজার রয়েছে। আমের মৌসুম শুরু হতে না হতেই ওই সব হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণে আম উঠতে শুরু করে। বিশেষ করে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরুতেই হাট-বাজার দেশি আমে সয়লাব হয়ে যায়। তবে এ সব আমের মধ্যে একটিও গাছপাকা আম নেই। সবই ক্যামিকেল, কার্বাইড বা খড়চাপা দিয়ে পাকানো আম। ভুক্তভোগী ক্রেতারা জানান, এখন আর এলাকার আম বাগান মালিক বা স্বল্প পরিসরে বাড়িতে আম বাগান করা গৃহস্থরা সরাসরি হাট-বাজারে আম বিক্রি করেনা। তারা তাদের বাগানের কাঁচা আম এলাকার আম ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দেন। অসাধু ওই সব আম ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় বাগান থেকে অপরিপক্ক কাঁচা আম ভেঙ্গে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ক্যামিকেল আর কার্বাইড দিয়ে পাকিয়ে গাছপাকা আম বলে বিক্রি করেন। অবশ্য দেখে বোঝার উপায় নেই এটা গাছপাকা নাকি ক্যামিকেল দিয়ে পাকানো আম। বোঁটা দিয়ে কস ঝড়ছে আর দেখতেও গাছপাকা আমের মত পাকা লাল টুকটুকে। তবে খাওয়ার সময় এবং আমের ভিতরের চেহারা দেখে বোঝা যায় এটা গাছ পাকা আম নয়। এ সব আম খেয়ে ক্রেতারা পেটের পীড়াসহ নানা রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ সুলতান মাহামুদ সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন  কেমিকেল দিয়ে পাকানো আম বিশেষ করে শিশু স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। শিশুরা ওই আম খেয়ে ডায়রিয়াসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে।