(দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর স্টেডিয়ামকে সুন্দর করতে যা যা করা প্রয়োজন তার সবটুকুই করা হবে এই প্রতিশ্র“তি দিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন সিকদার বলেছেন, যুব সমাজ ও দিনাজপুরের মানুষ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপির প্রতি আজ যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন সে ভালোবাসা অব্যাহত থাকলে ইকবালুর রহিম ভবিষ্যত আরো উজ্জ্বল হবে আমি সুনিশ্চিত।  ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দিনাজপুর স্টেডিয়ামে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপির পৃষ্ঠপোষকতায় জেলা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত ৬ষ্ঠ বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তঃ উপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন সিকদার প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্রীড়াঙ্গনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে দিয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, পৃথিবীর মানচিত্রে নিজেদের পরিচিত করার উত্তম মাধ্যম হলো ক্রীড়া। ক্রিকেটের নৈপুন্যতা সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে নতুন ভাবে পরিচিত করছে।
তিনি আরো বলেন, লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের এই মাতৃভূমি বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ম্ুিক্তযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু তথা মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত করার লক্ষ নিয়ে কাজ করছে। ইতিমধ্যে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পদার্পন করেছি এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ধনী দেশে পরিণত করার লক্ষ নিয়ে আমরা কাজ করছি। স্বাধীন দেশে ভিক্ষা করে নয় ধনীদেশ হিসেবে নিজেদের পায়ে দাঁড়িয়ে আমরা বেঁচে থাকতে চাই। বাংলাদেশ একটি গর্বীত জাতি। এদেশের মানুষ অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে। সরকারের এ লক্ষকে বাস্তবায়ন করতে সকলকে আত্মশক্তিতে বলিয়ান হয়ে দেশের কল্যাণের জন্য কাজ করতে হবে।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, দিনাজপুর-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, পুলিশ সুপার মোঃ রুহুল আমিন ও রংপুর বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম।
দিনাজপুর স্টেডিয়াম কানায় কানায় পরিপূর্ণ হাজার হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে বিকেল ৪টায় খেলা শুরু হয়। খেলায় নবাবগঞ্জ উপজেলা ৬-১ গোলে সদর উপজেলাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলা শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ী ও বিজিত দলের খেলোয়ার ও কর্মকর্তাদের হাতে ট্রফি ও প্রাইজমানি তুলে দেন।
খেলা শুরুর পূর্বে চিরিরবন্দর উপজেলার আমেনা-বাকি রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ২৮০জন শিক্ষার্থী আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরে মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে পরিদর্শন করেন এবং দ্বিতীয় অর্ধের খেলার পূর্বে দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা ডিসপ্লে পরিবেশন করে।