চন্দন মিত্র (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর সংঙ্গীত মহাবিদ্যালয়ের দুই দাগের সর্বমোট ১০৪ শতক জায়গা রয়েছে। এর মধ্যে প্রাণনাথপুর মৌজার চকবাজারে ৪.৪ শতক জায়গা উক্ত এলাকার কতিপয় বাসিন্দা সাবিত্রী, উর্মিলা ও নন্টু কুমার রায় মালিকানা হিসাবে বসতবাড়ী করে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু কলেজের নিরাপত্তা বেষ্টনীর স্বার্থে এবং ভবন নির্মানের প্রয়োজন দেখা দিলে দিনাজপুর সংঙ্গীত মহাবিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কলেজের নির্ধারিত জায়গা মাপতে গেলে চকবাজার এলাকার বাসিন্দাদের সাথে কলেজের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদের সৃষ্টি হয়। এরই সূত্র ধরে গত ০৬ ফেব্রুয়ারী দিনাজপুর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ জুবায়ের রহমান রাশেদ এর উপস্থিতিতে এসিল্যান্ড অফিসের সার্ভেয়ার আবু দাইয়েন সঙ্গে থেকে আমিনের দ্বারা উক্ত এলাকায় বসবাসকারী তিন ব্যক্তির দখলে থাকা জায়গা মেপে তাদের ৫৪২৩ দাগের ৬৩১৫ খতিয়ানের দলিল এর ভিত্তিতে তাদের প্রকৃত জায়গা নির্ধারণ করে দেয় এবং তিনি বলেন যে, অত্র এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিজ নিজ জায়গায় বাসা করে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করার নির্দেশ দেন। অপরদিকে কলেজের ৪.৪ লিঙ্ক জায়গা বের করে দিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন যে, তাদের মোটামুটি সময় দিয়ে বসবাসতরত ব্যক্তিদের ঘরগুলো বানানোর সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। সংঙ্গীত মহাবিদ্যালয়ের জায়গা নির্ধারণের সময় উপস্থিত ছিলেন মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হিতেন্দ্র নাথ রায়, কলেজের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ এবং দিনাজপুর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান আর্টিষ্ট সহ উক্ত এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।