(দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থার বিপর্যয় ঘটেছে। ট্রাফিক কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতায় শহরের প্রতিটি সড়কে যানজট ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। নিয়ন্ত্রহীন অটোর সাথে যোগ হয়েছে ট্রাক্টরের দৌরাত্ব। শহরের ট্রাক্টর চলাচলে বিধি-নিষেধ হওয়া প্রয়োজন।  দিনাজপুর শহরে বসবাসরত একাধিক জনসাধারনের সাথে কথা বলা হলে তাদের অভিমত, শহরে জনসংখ্যা পরিধি এবং যানবাহন বাড়লেও সড়ক স¤প্রসারণের কোন উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। উপরোন্ত পৌর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতাই সড়কের পাশে বিল্ডিং কোড অমান্য করে রাস্তা দখল করে অসংখ্য বহুতল ভবন নির্মান হচ্ছে। ফলে শহরের প্রতিটি সড়ক সংকুচিত হয়ে গেছে। জনসাধারণের ভোগান্তি দুর করতে পৌরসভার রাস্তা দখলমুক্ত করা প্রয়োজন।
অসংখ্য যানবাহন বিশেষ করে নিয়ন্ত্রনহীন ইজিবাইক এখন বিভিন্ন সড়কে যানজট সৃষ্টির অন্যতম কারন হয়ে দাড়িয়েছে। এর উপর যোগ হয়েছে ট্রাক্টররের অবাধ চলাচল। ইদানিং প্রতিটি সড়কে সারাদিন অবাধে চলছে ট্রাক্টর। ইতিপুর্বে শহরে ট্রাক্টর চলাচলের উপর আরোপিত সব নিষেধজ্ঞা যেন তুলে নেয়া হয়েছে। এইভাবে ট্রাকসহ ভারি যানবাহন চলাচলে বাইপাশ সড়ক ব্যবহারের কোন তাগিদ নেই। এসব কারনে শহরের যানজট ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে।
শহরের বিভিন্ন মোড়ে ট্রাফিক সদস্যদের দাঁড় করে হাস্যকর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা চলছে। কোথাও কোথাও ট্রাফিক সদস্যদের দাঁড়ানোর মত জায়গাও নেই। ফলে পাশের কোন দোকানের বারান্দায় বসে কথিত দায়িত্ব পালন করতে হয়। মাল বোঝাই ট্রাক ব্যবস্ততম সড়কে অবাধে যখন-তখন প্রবেশ ও মাল লোড-আনলোড চলছে। তবে এসব মাল বোঝাই ট্রাক শহরে প্রবেশ পথে যেমন ট্রাফিক কর্তাদের ম্যানেজ করতে হয় তেমনি মাল লোড-আনলোড করার সময়ও ট্রাকের পাশে ট্রাফিক সদস্যদের ঘুর ঘুর করতে দেখা যায়। ট্রাফিক বিভাগ রয়েছে এবং  আগের চেয়ে জনবলও বাড়ানো হয়েছে, কিন্তু ট্রাফিক আইন প্রয়োগে বাড়েনি দায়িত্ববোধ। ফলে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। এ ব্যাপারে দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র ও জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল ধরেননি।-মো. নুরুন্নবী বাবু