স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর রেলওয়েতে চলছে এক প্রকার সার্কাস খেলা। এখানে কান্না নেই। আছে শুধু হাসি আর হাসি। দীর্ঘদিন ধরে গুডস্ দপ্তর কিংবা অফিস না থাকা সত্ত্বেও নাম কা বাস্তে কর্তা হয়ে বেতন বিল তুলছেন নিয়মিত। যেন দেখার কেউ নেই। তাছাড়া অত্র অফিসে এর আগেও সরকারি অফিসের ৩৫ লাখ টাকার হেরফেরের অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, সরকারি বীধি ভেঙ্গে দিনাজপুরে রেলওয়েতে ২৭ বছরের যাবত গুডস্ অফিসে আজও চাকুরীরত কে এই বক ধার্মিক?। ১৯৯২ সালে দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশনে কর্মরত অবস্থায় সরকারি কোষাগারে ৩৫ লাখ টাকা হের-ফের করার পরও বহাল তবিয়তে অবস্থান ২৭ সাতাশ বছর যাবত একই কর্মস্থলে দপ্তর বিহীন অবস্থানরত এই বক ধার্মিক ? যার খুটির জোর মাটির অতন্ত গভীরে! তথ্য সুত্রে প্রকাশ তিনি রেলওয়ে টিকেট কালোবাজারির সাথে জড়িত অর্থ যোগানদাতা টিকেট কালোবাজারির মূল হোতা। তাকে প্রতিনিয়ত লক্ষ্য করা যায় টিকেট কাউন্টারের সামনে। পিডাব্লুউ আই সরকারি বাংলো জবর দখল, সেই সঙ্গে বৈদ্যুতিক সংযোগ আদৌ কি সরকার পান দখল কৃত বাংলোটির বৈদ্যুতিক বিল। উল্লেখিত বিষয় গুলি রেলওয়ে উর্ধতন কতৃপক্ষ নজর দেবেন কি ? আজ তার কারনে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বদনামের ভাগি হবেন কেনো ? নাকি পূর্ব পুরুষের বানির প্রতি ফিরে যেতে হয়, যে শরষে ভুত তারাবে সে শরষেতেই ভুত। “যার শরবাংঙ্গে ব্যাথা ঔষুধ দেবো কোথায়, “ব্যর্থ ডাক্তারের বানী”। অপরদিকে ম্যাক্স কোম্পানী রেলওয়ে উন্নয়ন মূলক কাজ পরিচালনা করেন ডুয়েল গেজ রেল মেরামতের জন্য তাদের লোকজন রেলওয়ে গুড্স গুদাম ভাড়া হিসেবে গ্রহণ করে। তখন থেকে গুড্স অফিস পরিত্যাক্ত অবস্থায় তালা বন্ধ থাকে। ফলে পুলহাট, সিকদার হাট এবং উত্তর কোতয়ালীর বড় বড় ধান চাউল ব্যবসায়ী রেলওয়ে ওয়াগন যোগে সারাদেশে খাদ্য শস্য পাঠাতে ব্যর্থ হন। যার ফলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজাস্ব আয়। পদ আছে অফিস নেই?। মাসে মাসে মাসিক বেতন গচ্ছা হিসেবে দিতে হয় সরকারকে। এই বক ধার্মিকের সহায়তায় উপর মহলকে ম্যানেজ করে কাউগা আউটার হতে কাঞ্চন আউটার পর্যন্ত গেট ম্যানের জন্য বরাদ্ধকৃত কোয়াটার গুলি পাবলিকের নামে বরাদ্ধ দেয়ার রমরমা ব্যবসা। যা তদন্ত সাপেক্ষে বেরিয়ে যাবে। স্থানীয় কর্মকর্তারা বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে ভাড়া দিয়ে রাখছে এই কোয়াটার গুলো।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সাবেক রেলওয়ে কর্মকর্তা বলেন, দিনাজপুর রেলওয়েতে কোয়াটারগুলোতে বহিরাগত মানুষদের ভাড়া দেয়া, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া সহ নানাবিধ সমস্যা রয়েছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল দ্রুত ব্যবস্থা নিলে সরকারের রাজস্ব সহ রেলওয়ের ভাবমুর্তি উজ্জ্বল হবে।