1. dinajpur24@gmail.com : admin :
  2. dinajpur24@gmail.com : akashpcs :
  3. self@unliwalk.biz : brandymcguinness :
  4. ChristineTrent91@basic.intained.com : christinetrent4 :
  5. Dinah_Pirkle28@lovemail.top : dinahpirkle35 :
  6. cruz.sill.u.s.t.ra.t.eo91.811.4@gmail.com : howardb00686322 :
  7. azegovvasudev@mail.ru : latricebohr8 :
  8. kenmacdonald@hidebox.org : moset2566069 :
  9. news@dinajpur24.com : nalam :
  10. NonaShenton@miss.kellergy.com : nonashenton3144 :
  11. vaughnfrodsham2412@456.dns-cloud.net : reneseward95 :
  12. Sonya.Hite@g.dietingadvise.club : sonya48q5311114 :
  13. jcsuave@yahoo.com : vaniabarkley :
সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নতুন রুপে আসছে দিনাজপুর২৪.কম! ২০১০ সাল থেকে উত্তরবঙ্গের পুরনো নিউজ পোর্টালটির জন্য দেশব্যাপী সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা প্রয়োজন। সারাদেশে সংবাদকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা এখনই প্রয়োজনীয় জীবন বৃত্তান্ত সহ সিভি dinajpur24@gmail.com এ ইমেইলে পাঠান।

দিনাজপুর বাহাদুর বাজার উত্তরা সুপার মার্কেটের একটি দোকান ঘর নিয়ে যত কান্ড

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ০ বার পঠিত

nazmaমোঃ ওয়াহেদুর রহমান (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর শহরে বাহাদুর উত্তরা সুপার মার্কেটে দৃষ্টি গার্মেন্টস ৮৫নং দোকান ঘরটি নিয়ে তেলেসমাতি কারবার শুরু হয়েছে। সু-বিচারের আশায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন এর রংপুর বিভাগীয় এক্সিকিউটি প্রেসিডেন্ট নাজমা বেগম সকলের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, দিনাজপুর শহরে বাহাদুর বাজার উত্তর সুপার মার্কেট জনতা ব্যাংকের সিঁড়ির নিচে বি-ব্লকের ৮৫ নং দোকানঘর গত ২০ অক্টোবর ৯১ তারিখে মার্কেটের স্বত্বাধিকারী এ.এইচ.এম আশেক-উর-রহমান এর নিকট থেকে দেলোয়ার হোসেন নগদ ৬৫ হাজার টাকা জামানত বুঝিয়ে দিয়ে মাসিক ৩৫০ টাকা ভাড়া হিসাবে চুক্তিপত্র করে। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সনে এ.এইচ.এম আশেক-উর-রহমান এর নিকট আবারও চুক্তিপত্র সম্পাদিত হয়। সেই হিসাবে দেলোয়ার হোসেন ৮৫নং দোকান ঘরটি দৃষ্টি গার্মেন্টস নামে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। এ.এইচ.এম আশেক-উর-রহমান এর পিতা আনিসার রহমান বেঁচে থাকাকালীন তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি স্ত্রীসহ পুত্র কন্যাদের মাঝে ভাগবন্টন করে দেন। এই হিসেবে উত্তরা সুপার মার্কেটে জনাত ব্যাংকের সিঁড়ির নিচে বি-ব্লকের ৮৫নং দোকান ঘরটি আনিসার রহমানের স্ত্রী বেগম বানু উম্মুল হাসানের নামে হয়। গত ২০ জুন ২০১৪ তারিখে বার্ধক্যজনিত কারণে বেগম বানু উম্মুল হাসান মৃত্যুবরণ করেন। তাকে সোনাপীর কবরস্থানে দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়। বেগম বানু উম্মুল হাসান মৃত্যুর পর তার নামীয় সম্পত্তি অদ্যাবধি সন্তানদের মাঝে ভাগবন্টন হয়নি। পরবর্তীতে এ.এইচ.এম আশেক-উর-রহমান এর ভাই এ ডেজ এম উলফাত-উর-রহমান উক্ত ৮৫নং দোকান ঘরের মালিক সেজে দেলোয়ার হোসেনের নিকট ৩ লক্ষ টাকা জামানত নিয়ে মাসিক ৬শত টাকা ভাড়া হিসেবে গত ২৫ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখ থেকে ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখ পর্যন্ত চুক্তিপত্র করে। এই চুক্তিপত্রে এখলাস-উর-রহমান, মমিনুর রহমান ও ওসমান গনি সাক্ষী হিসাবে রয়েছে। গত ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে দেলোয়ার হোসেন নিজে দাতা হয়ে দিনাজপুর নোটারী পাবলিক সাহেব সমীপে তার স্ত্রী গ্রহীতা মোছাঃ নাজমা বেগমের নিকট ৪৩৬ নং অ-রদযোগ্য আম-মোক্তার নামার মাধ্যমে দৃষ্টি গার্মেন্টস ৮৫নং দোকান ঘরটি হস্তান্তর করেন। উক্ত আম-মোক্তার নামায় এ্যাডভোকেট মোহাঃ ইসমাইল চৌধুরী, মোঃ সেলিম রায়হান, মোঃ আতিক, এ্যাডভোকেট হোসেন ও এ্যাডভোকেট পারভেজ সাক্ষী হিসাবে রয়েছেন। আমাদের প্রতিনিধিকে নাজমা বেগম জানায়, তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন এর রংপুর বিভাগীয় এক্সিকিউটি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য,  গত ১লা ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে উত্তরা সুপার মার্কেটের দোকানঘরের জমিদারীর মাসিক ভাড়া এ ডেজ এম উলফাত-উর-রহমানকে দিতে গেলে তিনি টাকা নিতে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতৈ পোস্ট অফিসের পিয়নের মাধ্যমে দিতে গেলে তিনি মাসিক টাকা গ্রহণ করেননি। নাজমা বেগম বিপাকে পড়ে ঐ মাসেই রেন্ট কণ্ট্রোল আইনে জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। তারপর দোকানঘরের প্রতি মাসের ভাড়ার টাকা ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে কোটে নিয়মিত জমা দিয়ে আসছেন। এ যাবত মাসিক ভাড়ার টাকা বকেয়া নেই। তিনি আরও জানায়, দৃষ্টি গার্মেন্টস ৮৫নং দোকান ঘরটির ট্রেড লাইসেন্স নং-৮৪০। ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দিনাজপুর পৌরসভায় নিয়মিত পরিশোধ করে আসছেন। গত ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে তিনি মেয়র দিনাজপুর পৌরসভা বরাবরে দৃষ্টি গার্মেন্টস ৮৫নং দোকান ঘরটি অন্য কারো নামে লাইসেন্স না করা প্রসঙ্গে আবেদন করায় অদ্যাবধি ৮৫নং দোকান ঘরের লাইসেন্স তার নামেই রয়েছে। গত ১০ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে দৃষ্টি গার্মেন্টস ৮৫নং দোকান ঘরের বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ কোতয়ালী থানা দিনাজপুর বরাবরে গত ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আওলাদ হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন ও কিউবার বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডাইরীর আবেদন করেন। নাজমা বেগম দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ এর সদস্য। তার সদস্য নং-এন-৯২। দেলোয়ার হোসেন গত ৬ মে ২০১২ তারিখ হতে ৬ মে ২০১৫ তারিখ পর্যন্ত ৩ বছর মেয়াদে মোঃ মামুনের নিকট দৃষ্টি গার্মেন্টস ৮৫নং দোকান ঘরটি ৫০ হাজার টাকা জামানত নিয়ে মাসিক ভাড়া ২ হাজার ৮শ টাকা হিসাবে চুক্তিপত্র করেন। এই চুক্তিপত্র দলিলে মামুনের স্বাক্ষর রয়েছে। সাক্ষী হিসেবে মোঃ কবিরুল ইসলাম, মোঃ ফিরোজ আলম খান, লিয়াকত হোসেন ও টিটু হোসেনের নাম স্বাক্ষর রয়েছে।
এদিকে গত ১০ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে উক্ত ৮৫নং দোকান ঘরের মালিক সাজার জন্য শহরের কাঞ্চন কলোনী মহল্লার আনসার আলীর পুত্র আওলাদ হোসেন নিজে গ্রহীতা সেজে তার ভাই দেলোয়ার হোসেনকে লিখিতং করে উত্তরা সুপার মার্কেটের ৮৬নং দোকান ঘরের পজেশন হস্তান্তর দলিল তৈরি করেন। সে দলিলে শুধুমাত্র হস্তান্তরকারী দেলোয়ার হোসেনের নাম সাক্ষর রয়েছে। সাক্ষী আওলাদের ভাই মোঃ সাজ্জাদ, মোঃ আমজাদ ও নুর ইসলামের নাম স্বাক্ষর রয়েছে। এ ব্যাপারে নাজমা বেগম জানায়, তার স্বামী দেলোয়ার হোসেনের স্বাক্ষরের সহিত এই স্বাক্ষরের কোন মিল নেই। এ ডেজ এম উলফাতুর রহমান উক্ত ৮৫নং দোকান ঘরটি মোঃ আওলাদের নিকট জামানতের ঘরটি ফাঁকা রেখে মাসিক ৮ শত টাকা ভাড়া হিসেবে গত ১লা ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখ হতে ৫ বছর মেয়াদে চুক্তিপত্র করে। এ বিষয়ে নাজমা বেগম জানায়, ঐ চুক্তিপত্র সম্পর্কে উলফাতুর রহমান কিছুই জানেন না। এমনকি উলফাতুর রহমানের স্বাক্ষরটি জাল। এই চুক্তিপত্রে কিউবার ম্যানেজার মমিনুল হোসেন, আরিফসহ ৩ জনের নাম স্বাক্ষর রয়েছে।
অপরদিকে গত ২৬ নভেম্বর ২০১৪ তারিখ থেকে ২ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত দেলোয়ার হোসেন অসুস্থতা কারণে দিনাজপুর মেডিকেল হাসপাতালে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিল হিসেবে হাসপাতালের কাগজপত্রে দেখা যায়। গত ৪ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে দেলোয়ার হোসেন ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে আইসিইউতে লাইভ সাপোর্টে মারা যায়। গত ৪ মে ২০১৫ তারিখে আওলাদ, সাজ্জাদ ও কিউবা গং নাজমা বেগমকে বেদম প্রহার করে। তাদের প্রহারে নাজমা বেগম গুরুত্ব আহত হয়ে দিনাজপুর মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। নাজাম বেগম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় আওলাদ কিউবা ও সাজ্জাদ গং উত্তরা সুপার মার্কেটে দৃষ্টি গার্মেন্টস এর ৭টি তালা ভেঙ্গে বি-ব্লকের ৮৫নং দোকান ঘরটি তাদের দখলে নেয়। এরপর ৮৫নং দোকান ঘরে আওলাদ ও মামুন যৌথভাবে ব্যবসা করার জন্য গত ৯ মে ২০১৫ তারিখ থেকে ১০ মে ২০১৮ পর্যন্ত চুক্তিপত্র করে। এই চুক্তিপত্রে মামুন ৭৫ হাজার টাকা সুদমুক্ত হিসেবে আওলাদকে জামানত দেয়। ব্যবসায় লাভ লোকসান যাই হোক না কেন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে মামুন ৩ হাজার ৮শ টাকা করে আওলাদকে দিতে বাধ্য থাকবে। চুক্তিপত্র দলিলে স্বাক্ষী সোহেল সহ ৩ জনের নাম স্বাক্ষর রয়েছে।
এইসব সমস্যা নিরসনের জন্য নাজমা বেগম অফিসার ইনচার্জ কোতয়ালী থানা বরাবরে ভাড়াটিয়া মামুন ঢালির বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। তাতে কোনো সুফল হয়নি। ফলে গত ৫ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে পুলিশ সুপার দিনাজপুর বরাবরে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে একটি অভিযোগ দেন। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার দিনাজপুর অফিস স্মারক নং-৭৫৮৭/এম তারিখ-৫/১২/১৬ ডিবি দিনাজপুর রিসিভ নং-১৭০ তারিখ-৫/১২/১৬ প্রথমপক্ষ নাজমা বেগম ও দ্বিতীয়পক্ষ মোঃ মামুন ঢালি উভয়পক্ষকে জেলা গোয়েন্দা শাখা, দিনাজপুর এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আইয়ুব আলী স্ব-স্ব কাগজপত্র সহকারে আগামী ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখ সকাল ১০টায় হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ দেন। উক্ত তারিখে উভয়পক্ষের শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। নাজমা বেগম আরও জানায়, উক্ত ৮৫নং দোকান ঘর বিষয়ে দিনাজপুর আদালতে ২৪১নং মামলা দায়ের করেছেন। আদালত থেকে উলফাতুর রহমান সহ বিবাদীদের সমন দিতে গেলে তারা গ্রহণ করেননি। বর্তমানে মামলাটি দিনাজপুর জেলা দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন এর কর্মী নাজমা বেগম ৮৫নং দোকান ঘরের বিষয়ে সু-বিচারের আশায় সকলের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।

নিউজট শেয়ার করুন..

এই ক্যাটাগরির আরো খবর