(দিনাজপুর২৪.কম) আগামী ১৬ জানুয়ারি দিনাজপুর পৌরসভার নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করার দাবীতে জেলা বিএনপি’র সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম দিনাজপুর জেলা বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সরকারি দলের অযোগ্য প্রার্থীকে বিজয়ী করতে এবং জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের এনে রাখা হয়েছে শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল এবং সরকারি-সেরকারি রেষ্ট হাউজে। পৌরবাসীর সমর্থনে পর পর দু’বার মেয়র পদে নির্বাচিত হওয়ায় এ দায়িত্ব পালন করতে আমি পদে পদে সরকারি দলের দ্বারা বাধাগ্রস্থ হয়েছি। আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে আমার বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র চলছে প্রশাসনকে বিভিন্নভাবে অবগত করেছি। কিন্তু আমি এখন পর্যন্ত এর কোন সুরাহার কোন নমুনাই দেখা পাইনি।
গত ১৩ জানুয়ারী বুধবার সকালে দিনাজপুর জেলা বিএনপি কার্য্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপরোক্ত অভিযোগ করেছেন পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন,সারাদেশসহ দিনাজপুরে বিএনপি একটি সুসংগঠিত জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হওয়ায় এদলের প্রার্থীকে দিনাজপুর পৌরসভায় বার বার ভোটাররা মেয়র নির্বাচিত করছে। একারনে সরকারী দলের ঈর্ষার কারন হয়ে দাড়িয়েছে বিএনপি ও তার প্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। বিএনপির প্রার্থীকে হারানোর জন্য বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের বাড়ী বাড়ী পুলিশ হানা দিচ্ছে, আতংকিত নেতাকর্মীরা ভোটের প্রচারাভিযানে অংশ নিতে পারছেনা। এছাড়াও সরকারী দলের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের মাধ্যমে ফলাফল পাল্টানোর মহাপরিকল্পনা করছে বলে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম সংবাদ সম্মেলনে জানান।
জেলা নির্বাচন কমিশনারের কাছে আমার দল এবং পৌরবাসীর দাবী অনতি বিলম্বে নির্বাচনের পূর্বেই নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ সুগম করার।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, দিনাজপুর জেলা বিএনপি‘র ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য রেজিনা ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক যথাক্রমে এ্যাড.মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, খালেকুজ্জামান বাবু, হাসানুজ্জামান উজ্জল, আখতারুজ্জামান জুয়েল, মো: মোকাররম হোসেন। এছাড়াও বীরমুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক কমান্ডার মোকসেদ আলী মঙ্গোলিয়া, অধ্যাপক কামরুজ্জামান, সামসুজ্জামান চৌধুরী খোকা ও বোচাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি‘র সা: সম্পাদক শফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।