1. dinajpur24@gmail.com : admin :
  2. erwinhigh@hidebox.org : adriannenaumann :
  3. dinajpur24@gmail.com : akashpcs :
  4. self@unliwalk.biz : brandymcguinness :
  5. ChristineTrent91@basic.intained.com : christinetrent4 :
  6. rosettaogren3451@dvd.dns-cloud.net : darrinsmalley71 :
  7. Dinah_Pirkle28@lovemail.top : dinahpirkle35 :
  8. vandagullettezqsl@yahoo.com : gastonsugerman9 :
  9. cruz.sill.u.s.t.ra.t.eo91.811.4@gmail.com : howardb00686322 :
  10. azegovvasudev@mail.ru : latricebohr8 :
  11. corinehockensmith409@gay.theworkpc.com : meaganfeldman5 :
  12. kenmacdonald@hidebox.org : moset2566069 :
  13. news@dinajpur24.com : nalam :
  14. marianne@e.linklist.club : noblestepp6504 :
  15. NonaShenton@miss.kellergy.com : nonashenton3144 :
  16. vaughnfrodsham2412@456.dns-cloud.net : reneseward95 :
  17. Roosevelt_Fontenot@speaker.buypbn.com : rooseveltfonteno :
  18. Sonya.Hite@g.dietingadvise.club : sonya48q5311114 :
  19. gorizontowrostislaw@mail.ru : spencer0759 :
  20. jcsuave@yahoo.com : vaniabarkley :
মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
নতুন রুপে আসছে দিনাজপুর২৪.কম! ২০১০ সাল থেকে উত্তরবঙ্গের পুরনো নিউজ পোর্টালটির জন্য দেশব্যাপী সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা প্রয়োজন। সারাদেশে সংবাদকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা এখনই প্রয়োজনীয় জীবন বৃত্তান্ত সহ সিভি dinajpur24@gmail.com এ ইমেইলে পাঠান।

দিনাজপুর আন্তঃনগর ট্রেনের এটেনডেন্টদের অবৈধভাবে অর্থ রোজগার : রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৬
  • ০ বার পঠিত

sonar bangla train-dinajpur24মো. আব্দুস সালাম (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর থেকে ঢাকাগামী দুইটি ট্রেন রয়েছে। যা নিয়মিত চলাচল করছে। একটি দ্রুতযান এক্সপ্রেস অপরটি একতা এক্সপ্রেস, আরেকটি আন্তঃনগর ট্রেনের নাম দোলনচাপা যার যাত্রাস্থল সান্তাহার। এই তিনটি ট্রেনে সর্বমোট এটেনডেন্টের সংখ্যা রয়েছে ৪০ জন। এই এটেনডেন্টদের কাজ হলো তাদের পদবী অনুযায়ী তারা যাত্রী সেবা করবে। দরজা, জানালা বন্ধ করতে ও খুলতে সাহায্য করবে। বসার আসন পরিস্কার করবে। অথচ মূল কাজ বাদ দিয়ে অবৈধভাবে যাত্রী বহন ও অবৈধ অর্থ গ্রহণে ব্যস্ত থাকছেন তারা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসব এটেনডেন্ট ১০/২০ হাজার টাকায় ফ্ল্যাট বাড়ী নিয়ে বসবাস করছেন। ১০ বছর চাকুরীর মেয়াদ পূর্তি না হতেই অনেক জায়গা জমি, ফ্ল্যাট বাড়ী ও লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক বনে গেছেন। এ টাকার উৎস কী? ১৯৮৪ সাল থেকে আন্তঃনগর ট্রেনের জন্ম। এই জন্মলগ্ন থেকেই (১) মতিয়ার রহমান, জেলা-গাইবান্ধা, কর্মস্থল-দিনাজপুর; (২) মন্তেজার রহমান, জেলা-বগুড়া, কর্মস্থল-দিনাজপুর, (৩) আজিজার রহমান, জেলা-লালমনিরহাট, কর্মস্থল-দিনাজপুর, (৪) মোঃ আতাউর রহমান, জেলা-দিনাজপুর, কর্মস্থল-পার্বতীপুর, (৫) গোলাম মোস্তফা, জেলা-বগুড়া, কর্মস্থল-দিনাজপুর, (৬) ফজলুল হক, জেলা-জয়পুরহাট, কর্মস্থল-দিনাজপুর, (৭) সেকেন্দার আলী, জেলা-জয়পুরহাট, কর্মস্থল-দিনাজপুর (৮) নেছার আহাম্মেদ, জেলা-জয়পুরহাট, কর্মস্থল-দিনাজপুর; (৯) মিজানুর রহমান, জেলা-পঞ্চগড়, কর্মস্থল-দিনাজপুর; (১০) তয়েজ আহম্মেদ, জেলা-দিনাজপুর, কর্মস্থল-পার্বতীপুর, (১১) অবন্তী কুমার, জেলা-গাইবান্ধা, কর্মস্থল-দিনাজপুর, (১২) আরঙ্গজেব, জেলা-দিনাজপুর, কর্মস্থল-দিনাজপুর, (১৩) আব্দুর রহমান, জেলা-কুড়িগ্রাম, কর্মস্থল-পার্বতীপুর, (১৪) মোঃ আবুল হোসেন, জেলা-রংপুর, কর্মস্থল-পার্বতীপুর, (১৫) আব্দুর রাজ্জাক, জেলা-গাইবান্ধা, কর্মস্থল-পার্বতীপুর, (১৬) সাইদুর রহমান, জেলা-নাটোর, কর্মস্থল-পার্বতীপুর (১৭) মোঃ সিরাজুল ইসলাম, জেলা-ফরিদপুর, কর্মস্থল-পার্বতীপুরসহ প্রায় এটেনডেন্টরা চাকুরী করে আসছেন। ২০ গ্রেডের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী হিসাবে চাকুরীর শুরুতে তাদের বেসিক বেতন ৮ হাজার টাকা, বর্তমানে ১৫/১৬ হাজার টাকা করে বেতন পাচ্ছেন। তাহালে কীভাবে এত অর্থ সম্পদের মালিক বনে যান তারা? ভাবতেও অবাক লাগে। তাদের এই অতিরিক্ত আয়ের উৎস হচ্ছে অবৈধভাবে যাত্রী বহন এবং অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ। এ ব্যাপারে এটেনডেন্টদের দিনাজপুর অফিস এর কর্মকর্তা টি এক্স আর তরিকুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি জানান তাদের চাকুরীর শুরুতে বেসিক ৮ হাজার টাকা বর্তমানে ১৫/১৬ হাজার টাকা। আন্তনগর ট্রেনগুলির জন্য যাত্রী সেবায় ফিনেল ওয়াশিং পাউডার, টয়লেট সাবান, হাত মোছা গামছা বরাদ্দ থাকলেও কোন বগিতে তা দেখা যায় না কেন?  সরকারী মালামাল ব্যবহার হয় কোথায় বা কোথায় যায়? তিনি বলেন, এগুলো সবই ট্রেনে থাকে, দেখতে পাবেন। এটেনডেন্টরা নিয়মিত হেড কোয়াটারে যায় কি না প্রশ্নে তিনি জানান, আমি যা তথ্য দিয়েছি এর বেশি তথ্য দিতে পারবো না।  হেড অফিস লালমনিরহাট এবং হেড কোয়াটার পার্বতীপুরে যোগাযোগ করলেই এটেনডেন্টদের সম্পর্কে সমস্ত তথ্য পাবেন। সূত্রটি জানায়, এটেনডেন্টরা হেড কোয়াটারে যান না। তাদের বাড়ীর এলাকা থেকেই খেয়াল খুশিমত ডিউটি করে আসছেন তারা। ভূক্তভোগী ট্রেনের যাত্রীগণ সাংবাদিকদের জানান, আমাদের ভোগান্তি শুরু হয় দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকেই। টিকিট কাউন্টারে গেলে কাউন্টার মাস্টার বলেন টিকিট নাই।  সিট ছাড়া টিকিট আছে। ফলে যাত্রীদের একপ্রকার বাধ্য হয়ে সিট ছাড়াই টিকিট নিতে হচ্ছে। এরপর ট্রেনে উঠে দেখি ভিন্ন দৃশ্য। সিটগুলি খালি পড়ে রয়েছে। বিনা টিকিটে যাত্রীদের এই সিটগুলিতে অবৈধভাবে সিটে বসিয়ে অর্থ গ্রহণ করে অবৈধবাবে যাত্রী বহন করছেন তারা। শুধু তাই নয়, আন্তঃনগর ট্রেনের প্রতিটি বগির  বাথরুম, খাবার গাড়ি, প্লাস্টিক চেয়ার, টুল, বেঞ্চ বসিয়ে অবৈধভাবে ট্রেনে ওঠা যাত্রীদের বহন করছেন এটেনডেন্টরা। অপরদিকে অবৈধ যাত্রীদের পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী, বিরামপুর, জয়পুরহাট, হিলি রুটে চোরাকারবারি মহিলা ও পুরুষরা হুরমুড় করে অবৈধ মালামাল নিয়ে ট্রেনে উঠলে এবং ট্রেন বোঝাই হয়ে গেলে  হাঁটাহাটি তো দূরে থাক বাথরুমে যাওয়া পর্যন্ত দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে বৈধ যাত্রী সাধারণের। অবৈধভাবে যাত্রী বহনের  ফলে রাজস্ব হারাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।  নাম প্রকাশে অন্চিছুক এক রেলওয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এই অনিয়মগুলি দীর্ঘদিনের। উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের তদারকি না থাকায় দিন দিন তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিভাবে লাখপতি, কোটিপতি বনে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এটেনডেন্টরা, তার উৎস অনুসন্ধানেও তদন্ত হওয়া উচিত বলে মনে করছেন  সচেতন মহল। বাংলাদেশ সরকারের  মাননীয় রেলমন্ত্রী, বাংলাদেশ রেলওয়ে, উর্দ্ধতন কর্মকর্তা এবং দুর্নীতি দমন দুদকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সুধীমহল ও যাত্রী সাধারণ ।

নিউজট শেয়ার করুন..

এই ক্যাটাগরির আরো খবর