-ফাইল ছবি

আবু বকর সিদ্দিক (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর সদর উপজেলার ৯নং আস্করপুর ইউনিয়নের তাজপুর দিঘিপাড়া গ্রামের ৫টি বাড়ী গত রোববার দিবাগত রাতে র্প্বু শত্র“তার জের ধরে পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে দুর্বত্তরা। এ ব্যাপারে দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।  অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গ্রামের মৃত দারু মোহাম্মদের পুত্র আজিজুর রহমান ও জয়নাল আবেদীন, মৃত অমর আলীর পুত্র আমজাদ আলী ও আনসার আলী এবং মৃত আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র ফরিদুল ইসলাম’র বাড়ীর লোকজন ওই রাতে ঘুমিয়ে ছিল। সেই সুযোগে একই গ্রামের আলহাজ্ব্ মমতাজ আলীর পুত্র সাইফুল ইসলাম, খইরুর পুত্র ইস্তিয়াক, খাদেম আলীর পুত্র শহিদুল, আলহাজ্ব আজিমউদ্দিনের পুত্র আলহাজ্ব মমতাজ, সাদেক আলীসহ ইমরান হোসেন ইমন, মশিউর রহমান, শামিম, আবেদ আলী, খইরুল রহমানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বাড়ীর লোকজনকে ঘুমন্ত অবস্থায় মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে পেট্রল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। বাড়ীর লোকজন আগুনের দেখতে পেয়ে ঘুম থেকে যেগে উঠে তাদের আতচিতকারে এলাকাবাসী ছূটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। তারা তাৎক্ষনিক ভাবে দিনাজপুর দমকল বাহীনিকে খবর দেয়। দমকল বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই ৫টি বাড়ী আগুনে ভূর্ষিভূত হয়ে যায়। এসময় দমকল বাহিনীর সদস্যরা আশপাশের অন্যান্য বাড়ী আগুনের হাত থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়। রায়হানুল ইসলামের স্ত্রী আর্জিনা বেগম, মৃত আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী ফরিদা বেগম এই প্রতিবেদককে জানান, আগুনে পুরে তাদের সকল মালামাল ভুষ্মিভূত হয়ে যায়। তারা জীবন নিয়ে কোন রকমে ঘর থেকে বেরহয়ে আসতে পারলেও বাড়ীর আসবাবপত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, উল্লেখিত ৫টি বাড়ীর ঘরের দেয়ালগুলো পোড়ামাটির রং ধারন করে দাড়িয়ে আছে। বাড়ীতে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই। তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। একই এলাকার মৃত খাদেমুল এর পুত্র মোঃ শহিদুল ইসলাম আগুন সন্ত্রাসীদের বেশ কয়েক জনকে চিনতে পেরেছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের সাথে আলাপে জানা যায়, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জিয়ার রহমান জিয়া ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্তদের কিছু আর্তিক অনুদান দিয়ে সহায়তা করেছেন। দিনাজপুর কোতয়ালী পুলিশের একটি দল গতকাল সোমবার সকালে ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোতয়ালী থানায় মামলার রুজু প্রক্রিয়া চলছিল।