স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের বিরলের শালবনে সঙ্গীকে ভয় দেখিয়ে ঘুরতে আসা স্কুলছাত্রীকে পার্শ্ববর্তী ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করেছে এক যুবক। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেয় ওই অভিযুক্ত যুবক। পরে সঙ্গীর সহযোগিতায় স্থানীয়রা অভিযুক্ত ওই যুবককে আটক করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে সোপর্দ করে। অভিযুক্ত বাবুল (৪০) উপজেলার ধর্মপুর নয়াপাড়ার সফির মোহাম্মদের ছেলে। আর নির্যাতিতা স্কুলছাত্রী (১৩) উপজেলার ফরক্কাবাদ ইউপির দামাইল গ্রামের বাসিন্দা ও সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ধর্মপুর ইউপির ঐতিহ্যবাহী কালিয়াগঞ্জ শালবনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। উপজেলার ৫নং বিরল ইউপির সাবইল গ্রামের আহসান আলীর ছেলে ইমরানের (২২) সঙ্গে শালবন দেখতে এসেছিল। শালবনে ঘোরাঘুরির এক ফাঁকে ওই স্কুলছাত্রীকে আটক করে তার বন্ধুকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্ত বাবুল। ইমরান জীবন বাঁচাতে শালবন থেকে পালিয়ে পার্শ্ববর্তী ধানক্ষেতে স্থানীয় যুবক হেলাল, সাগর, রাসেল, গোলাপ, মোমিনুল ও সানোয়ারকে সঙ্গে নিয়ে বান্ধবীকে শালবনে খুঁজতে যায়। পরে সেখানে না পেয়ে পার্শ্ববর্তী ভুট্টাক্ষেতে স্কুলছাত্রীসহ বাবুলকে দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা ধর্ষণের লোমহর্ষক কাহিনী শুনে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে অভিযুক্ত বাবুলসহ ভিকটিমকে সোপর্দ করে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভিকটিমের পরিবারকে সংবাদ দেয়া হয়েছে। তাদের থানায় সোপর্দের প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা গেছে।