(দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর পৌর শহরের ৯৬টি স্থানে পশু কুরবানির আহবান জানিয়েছিল দিনাজপুর পৌরসভা। সে আহবানে সাড়া মেলেনি। ঈদুল আযহা’র নামাজ শেষে যত্রতত্র রাস্তার ওপরেই কুরবানি করেছে শহরবাসি। তবে পৌর কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত দু’একটি স্থানে অল্প সংখ্যক পশু কুরবানি করেছেন কুরবানিদাতারা।
শনিবার (০২ সেপ্টেম্বর) ঈদের নামাজ শেষে সকাল থেকেই শহরের অধিকাংশ পাড়া-মহল্লার অলি-গলিতে ও রাস্তায় পশু কুরবানি, মাংস কাটা ও চামড়া পৃথক করার কাজ করেছে পৌরবাসি।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শহরের পাটুয়াপাড়া, লালবাগ, চাউলিয়াপট্টি, পাহাড়পুর, বালুয়াডাঙ্গা, মুন্সিপাড়া, ঈদগাহ বস্তি, ফকিরপাড়া, বালুবাড়ি, সুইহারীসহ বিভিন্ন এলাকার অধিকাংশ কুবানিদাতারা পৌর কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানি দেননি। বরং পাড়াা-মহল্লার অলি-গলির রাস্তার উপর এ কাজ করেছেন।
চাউলিয়াপট্টি, পাটুয়াপাড়া এলাকার কয়েকজন কুরবানিদাতার সাথে আলাপ করে জানান গেছে, পৌর কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট স্থানে যাতায়াত ও মালামাল বহনের অসুবিধা থাকায় রাস্তার উপর কুরবানি দিয়েছেন। রাস্তা ভবিষ্যতে আমরাই ব্যবহার করবো। তাই কুরবানি ও মাংস বণ্টন শেষে দ্রুত পশুর রক্ত ধুয়ে বর্জ্য পরিষ্কার করা হবে, যাতে কোনো দুর্গন্ধ না থাকে।
তবে ভবিষ্যতে পৌর কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত স্থানে যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো করলে মানুষ নির্দিষ্টস্থানে পশু কুরবানি দেবেন বলে জানান তারা।
দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর বলেন, শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তুলতে ৯৬টি স্থানে পশু কুরবানির স্থান নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু পরিবেশের ক্ষতি করে অধিকাংশ রাস্তা-ঘাটের উপরই কুরবানি দেওয়া হয়েছে। তবে দ্রুত পশুর রক্ত ধুয়ে ফেলায় ও বর্জ্য পরিষ্কার করায় দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়নি।