(দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের বিরামপুরে স্বামীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে নয় বছরের শিশুকন্যা নাসরিন আক্তারকে বিষ খাইয়ে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন সুমী আক্তার লতিফা (৩৫) নামে এক গৃহবধূ। গতকাল সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার সময় বিরামপুর উপজেলার পলিখিয়ার মাহমুদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই স্বামী পলাতক রয়েছেন।

সুমী আক্তার লতিফা বিরামপুর উপজেলার পলিখিয়ার মাহমুদ গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী। তাদের শিশুকন্যা নাসরিন আক্তার খিয়ার মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।২নং কাটলা ইউপি চেয়ারম্যান নাজির হোসেন জানান, গতকাল রোববার বিকেলে স্ত্রী সুমী আক্তার লতিফাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান স্বামী তোফাজ্জল হোসেন। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার শয়নকক্ষে সুমী আক্তারের ঝুলন্ত লাশ এবং শিশুকন্যা নাসরিন আক্তারের মৃতদেহ ঘরের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখেন।

ইউপি চেয়ারম্যান জানান, শিশুটির লাশের মুখে বিষের গন্ধ ছিল। এ থেকেই ধারণা করা হচ্ছে শিশুকন্যাকে বিষ খাইয়ে হত্যা করে মা ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মা ও শিশুর লাশ ঘরেই ছিল। এ ঘটনার পর স্বামী তোফাজ্জল হোসেন পলাতক রয়েছেন।

বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান জানান, স্থানীয় চেয়ারম্যান সূত্রে তিনি জেনেছেন-শিশুকন্যাকে বিষ খাইয়ে হত্যা করে মা আত্মহত্যা করেছেন। বিরামপুর থানার ওসি মোখলেসুর রহমান জানান, ঘটনাটি শোনার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।