আব্দুস সালাম, হেড অব নিউজ (দিনাজপুর২৪.কম)  মুক্তিযোদ্ধাগন অভিযোগ করে বলেন, আমি বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা লীগ দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী সহদেব চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হক মন্ডল সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হানিফ মিয়া আকন্দ, সাংঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ গত ৬ জানুয়ারী রাজশাহীতে সমাবেশের উদ্দ্যেশ্যে যাত্রা করার জন্য দিনাজপুর রেলওয়ে ষ্টেশনে আসি। এমতাবস্থায় দিনাজপুর জেলা কমিটির মহিলা সম্পাদিকা চপলা রাণী (কামনা) দিনাজপুর রেলওয়ে ষ্টেশনে অনুপস্থিত থাকায় গোলাপবাগ লেবুর মোড় তাজুল ইসলাম চৌধুরীর ভাড়াটিয়া বাসায় খোঁজ নিতে গেলে আমরা মুক্তিযোদ্ধাগন দেখতে পাই স্বামী বিশ্বজিৎ রায়ের সাথে স্ত্রী চপলা রাণী (কামনা)-র কথাকাটাকাটি চলছে। আমরা এগিয়ে গেলে উত্তেজিত হয়ে আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের অপমানজনিত কটাক্ষ কর্থাবর্তা সহ বিভিন্ন প্রকার অশ্লীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং হুমকী প্রদান করেন। আমরা বিব্রতবোধ করি। বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের সূর্য সৈনিক, দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। বঙ্গবন্ধুর ডাকে আমরা অনেক অত্যাচার, জুলুম সহ্য করে এদেশকে লড়াই করে স্বাধীন করেছি। আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধাগন এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে ওসি কোতয়ালী, দিনাজপুর পুলিশ সুপার, ডিআইজি রংপুর, পুলিশ সুপার রংপুর বরাবরে লিখিত অভিযোগ করি। এ ব্যাপারে মহিলা সম্পাদিকা চপলা রাণী (কামনা) জানান, ঘটনাটি আসলেই বিব্রতকর। আমার স্বামী সে এখানে থাকে না হঠাৎ আসে। তার বড় স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে রংপুরের নারীরহাটা থানাধীন শব্দপুস্কুনী (মালীপাড়া)-য় স্ত্রী-সেমলি রাণী, পূত্র শ্রাবন রায়, কন্যা শ্রাবন্তী কে নিয়ে বসাবাস করেন। আমি বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধালীগের জেলা মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা। জেলা কমিটির সঙ্গে আমিও রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশের উদ্দ্যেশ্যে রওয়া হওয়ার জন্য প্রস্তুত হই। কিন্তু আমার স্বামী বিশ্বজিৎ রায়ের বাধার সম্মুখে আমি দিনাজপুর রেলওয়ে ষ্টেশনে পৌছতে পারিনি। আমরা নারীরা সারাজীবনেই কি অবহেলিত থাকব?