SAMSUNG CAMERA PICTURES

(দিনাজপুর২৪.কম) সোমবার এনডিএফ প্রধান কার্যালয় গণস্বাক্ষরতা অভিযান ও নর্দার্ন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এডিএফ) এর আয়োজনে এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন-এর সহযোগিতায় মাতৃভাষাভিত্তিক বহুভাষিক শিক্ষা বিষয়ক আদিবাসী শিশুদের জন্য মাতৃভাষায় শিক্ষা – আমাদের কারনীয় শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
এনডিএফ-এর পরিচালক ভিক্টর লাকড়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি) তৌহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণস্বাক্ষরতা অভিযানের উপ-কার্যক্রম ব্যবস্থাপক শাহ্ আলম, নবরূপীর সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান শাহ্্। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন এনডিএফ’র মোঃ রিয়াজুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মোঃ সফিকুল ইসলাম। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন এবং সুপারিশমালা প্রদান করেন অধ্যক্ষ বিজয় বিকার ডিকসা, নরেশ বিশরা, লাকি মারান্ডি, এনজিও ব্যক্তিত্ব আব্দুস সালমা ও আব্দুল হামিদ, সাইফুল ইসলাম, ডাঃ শ্যাম মাড্ডি, শিক্ষক মকবুল হোসেন, পিটার লাকড়া। মুক্ত আলোচনার সুপারিশ উপস্থাপন করেন এনডিএফ’র কো-অর্ডিনেটর রণজিৎ কুমার রায়। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন এনডিএফ’র টিএমও মোঃ মেসমাউল সরকার। বক্তারা বলেন একটি দেশের জাতীয়  উন্নতি ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। জাতিগঠনে প্রধান মাধ্যম হলো শিক্ষা। আদিবাসীদের মধ্যে এক পঞ্চমাংশ হচ্ছে শিশু কিশোর। মূল স্রোতার ধারার মানুষের তুলনায় আদিবাসীর সংখ্যা কম হলেও দেশ গড়ার ক্ষেত্রে তাদের অবদান কোন অংশই কম নয়। আদিবাসীদের সাংস্কৃতি, ভাষা ও গোত্র আলাদা যা বাংলা ভাষার সাথে কোন মিল নেই। তাই আদিবাসী ভাষা ও সাংস্কৃতিক পার্থক্যের কারণে আদাবাসী ছেলে মেয়ের মুলতঃ প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষা লাভের সুযোগ নেই বল্লেই চলে। আদিবাসী শিশুদের মাতৃাভাষা শিক্ষার অধিকার আদায়ের বাধা উত্তরনের উপায় হলো মাতৃভাষা ভিত্তিক বহুভাষিক শিক্ষা ব্যবস্থা। বর্তমান সরকার আদিবাসী ভাষায় ৬টি পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। -কাশী কুমার দাস