স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরে মানবদেহের ক্ষতিকারক ও ভেজাল খাদ্য উৎপাদন মজুদ বাজারজাত ও বিপণনের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে র‌্যাব-১৩। এরই ধারাবাহিকতায় দিনাজপুর শহরোস্থ গোসাইপুর এলাকায় র‌্যাব-১৩ এর ফার্সেস এর সহযোগিতায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান এর নেতৃত্বে রোলেক্স বেকারীর কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে। কারখানার মালিক মোঃ আশরাফুল ইসলামকে খাদ্যে বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশ্রণ, বিষাক্ত কেমিক্যাল মজুদ, ও মেয়াদ উর্ত্তিণ সেমাই মজুদ নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপন্য তৈরী এবং ভেজাল বেকারী পন্য উৎপাদন বাজারজাত ও বিপণনের অভিযোগে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ৩৩ ধারা মোতাবেক নগদ ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদন্ডে দন্ডিত করেন। এছাড়াও প্রায় ১০ লক্ষ টাকা সমমুল্যের বিষাক্ত কেমিক্যাল ও মেয়াদ উর্ত্তিণ সেমাই জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়।
এছাড়াও সদর হাসপাতালের পাশে হোটেল দিলশাদ ভান্ডার হোটেলে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রয় করার গোপন সংবাদের খবরের ভিত্তিতে হানা দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। ভেজাল ও বাসীপচা খাবার তৈরী এবং বিক্রির অপরাধে হোটেল দিলশাদ ভান্ডারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, সতর্ক করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসন রমজান মাসের শুরু থেকেই ভেজাল খাদ্য তৈরী ও বিক্রয় এবং পচাবাসী খাবার সরবরাহ প্রতিরোধে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। গত ২৩মে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট দিপা সরকার এর নেতুৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত শহরের সদর হাসপাতাল মোড়ে অভিজাত হোটেল দিলশাদ ভান্ডারের দক্ষিন বালুবাড়ীস্থ কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ম্যাজিষ্ট্রেট মিষ্টিসহ বিভিন্ন খাবার তৈরী সামগ্রীর মধ্যে বাসীপচা, দুগন্ধময় খাদ্য, মরা মশামাছি, তেলা পোকা খাদ্যের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য সামগ্রী মানুষের মাঝে সরবরাহ ও খাদ্য পরিবেশন করার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। দিলশাদ ভান্ডারের মালিক দুলাল ও তার বোন আকুতি মিনতি করলেও সাড়া দেয়নি ভ্রাম্যমান আদালত। অবশেষে নির্বাহী ম্যাজেষ্ট্রিট দিপা সরকার ৫০ হাজার টাকার পরিবর্তে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।