মোঃ আব্দুল আজিম (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরে রুর‌্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (আরডিএফ) এর ব্যাংক চেক চুরি করে জালিয়াতী মামলায় নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানা ক্যান্টনমেন্ট সংলগ্ন কদমতলী এলাকার মোঃ আব্দুর রহমানের পুত্র মোঃ আঃ রাজ্জাক রাজু (৫২) ও তার স্ত্রী মেরিনা আক্তার (৪৭) কে আটক করে সৈয়দপুর থানার অনুমোতি সাপেক্ষে দিনাজপুর কোতয়ালী থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মোঃ দুলাল হক ও তার সঙ্গীয় ফোর্স সাথে নিয়ে ০১ আগস্ট ভোর রাতে তাদের আটক করতে স্বক্ষম হয়।
মামলা সুত্রে জানা গেছে, আসামী মোঃ আব্দুর রাজ্জার রাজু রুর‌্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনে ২৫/০৫/২০১০ সাল থেকে প্রোগ্রাম কো-অডিনেটর পদে চাকুরী করে আসছিলেন রাজু বিভিন্ন প্রকার অসৎ ও দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকার কারনে ০৬/০৭/২০১৪ ইং তারিখে তাকে চাকুরী থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। তারই সুত্র ধরে, দীর্ঘদিন সুযোগ না পাওয়ায় গত ১০ জুলাই ২০১৯ ইং তারিখে অসৎ উদ্দেশ্যে রুর‌্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (আরডিএফ) অফিসে প্রবেশ করে। সে সময় অফিসে কেউ না থাকায় সুযোগ বুঝে আরডিএফ এর দিনাজপুরের নির্বাহী পরিচালক মোঃ আলমাস হোসেন শেখ কে জিম্মি করে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলাগুলো প্রত্যাহার করার উদ্দেশ্যে ফাইল কেবিনেটের ড্রয়ার থেকে মোঃ আলমাস হোসেন শেখ এর নামীয় ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র হাতিয়ে নিয়ে সু-কৌশলে পালিয়ে যায়। যার সঞ্চয়পত্র নং- ১৭২.১০৩.৩১৮২ এর স্বাক্ষর বিহীন ফাঁকা ৬৬৮৩১৩১, ৬৬৮৩১৩৩, ৬৬৮৩৩৪, ৬৬৮৩১৩৬, হতে ৬৬৮৩১৪৪, ৬৬৮৩১৪৬ ও ৬৬৮৩১৫০ পর্যন্ত মোট ১৭টি চেকের পাতা চুরি করে পালিয়ে আব্দুর রাজ্জাক রাজু। এব্যাপারে আরডিএফ এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ আলমাস হোসেন শেখ বাদী হয়ে গত ১১ জুলাই দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। যার ডায়েরী নং- ৬৬৯, তাং- ১১/০৭/১৯। পুবালী ব্যাংক লিঃ সৈয়দপুর, নীলফামারী শাখায় এই চুরি করা চেক দিয়ে ৪০ লক্ষ টাকা উত্তোলন করতে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মোঃ আলমাস হোসেন শেখকে জানান, আপনার ১৭২.১০৩.৩১৮২ এর ৬৬৮৩১৪০ নম্বরের চেকের পাতা দিয়ে ৪০ লক্ষ টাকা উত্তোলনের কথা শুনেই আলমাস হোসেন শেখ তার কাগজপত্র নিয়ে তাৎক্ষনিক ব্যাংকে উপস্থিত হন। সেখানে গিয়ে দেখেন যে মহিলা টাকা উত্তোলন করতে গিয়েছে সে হচ্ছেন প্রতারক রাজুর সহধর্মীনী মেরিনা আক্তার। এব্যাপারে মোঃ আলমাস হোসেন শেখ নিজেই বাদী হয়ে, জাল স্বাক্ষর করার দায়ে আব্দুর রাজ্জাক রাজু ও তার স্ত্রীর নামে দঃ বিঃ আইনের ৩৮০/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।