SAMSUNG CAMERA PICTURES

মো. নুরুন্নবী বাবু (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরে মৌসুমী ঝড়-বৃষ্টির কারণে জেলার নদনদী, খাল-বিল, ডোবা-নালাসহ নিচু এলাকায় পানি জমে গেছে। গত ২০ ঘন্টায় আবহাওয়া অধিদপ্তর ১৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। দিনাজপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী কর্মকর্তা আশিকুর রহমান জানান, মৌসুমী আবহাওয়ার লঘু নিম্নচাপ প্রবাহিত হওয়ায় গত ২০ ঘন্টা রোববার দুপুর ৩টা থেকে সোমবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ১৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুর ৩টা থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হলেও রাত ৮টা থেকে আজ সোমবার ভোর পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের মাত্রা বেশি ছিল। সকাল থেকে স্বল্প পরিমান বৃষ্টিপাত হওয়ায় সব মিলিয়ে গত ২০ ঘন্টায় এ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
দিনাজপুরে অবিরাম বর্ষনে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত হয়েছে। জেলার অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে দিনমজুর ও স্বল্প আয়ের মানুষ। নিম্নাঞ্চল এলাকা প্লাবিত হওয়ায় ধানের জমি ডুবে গেছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে ধানের মাঠ থেকে বন্যার পানি নেমে না ক্ষতি সাধনের সম্ভাবনা রয়েছে।
দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী আব্বাস আলী জানান, আজ সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলার ৩টি প্রধান নদীর পানি বিপদ সীমা ছুই ছুই করছিল। পূনর্ভবা নদীর পানি বিপদ সীমার ১ সেন্টি মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিপদ সীমা ৩৩ দশমিক ৫০ সেন্টি মিটার আর পানি প্রবাহিত হচ্ছে ৩১ দশমিক ২০ সেন্টি মিটার। আত্রাই নদীর বিপদ সীমা ৩৯ দশমিক ৯৫ সেন্টি মিটার আর প্রবাহিত হচ্ছে ৩৭ দশমিক ৬০ সেন্টি মিটার। ইছামতি নদীর বিপদ সীমা ২৯ দশমিক ৯৫ সেন্টি মিটার আর পানি প্রবাহিত হচ্ছে ২৮ দশমিক ৯৫ সেন্টি মিটার।
গতকাল রোববার দুপুর ৩টা থেকে আজ সোমবার সকাল ১০টা পর্যন্ত দিনাজপুরে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১৯৬ মিলি মিটার। দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী কর্মকর্তা আশিকুর রহমান জানান, আগামী ২ দিন পর্যন্ত হালকা ও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।