মোঃ আফজাল হোসেন (দিনাজপুর২৪.কম)  “এখনই সময় অঙ্গীকার করার, যহ্মামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার” এবারের প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গত ২৪ মার্চ রোববার সিভিল সার্জন অফিস আয়োজিত ব্রাক, নাটাব, ল্যাম্ব, পিএসটিসি এর সহযোগিতায় বিশ্ব যহ্মা দিবস পালিত হয়। দিবসের শুরুতে সিভিল সার্জন কার্যালয় হতে বর্ণাঢ্য র‌্যালীর নেতৃত্ব দেন প্রধান অতিথি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ আহাদ আলী, দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস। র‌্যালীটি শরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালের হলরুমে গিয়ে শেষ হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিভির সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ আহাদ আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র এএসপি আরিফুজ্জামান, উপজেলা পঃপঃ কর্মকর্তা মোহাঃ আরোস উল্লাহ, ডাঃ মোঃ শহিদুল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ব্রাকের জেলা ব্যবস্থাপক শ্যামর কুমার সরকার, মোঃ রজব আলী, উপজেলা ম্যানেজার মোঃ মশিউর রহমান, নাটাবের সভাপতি তাহেরউদ্দিন আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক কাশী কুমার দাস, পিএসটিএস সংযোগ সংগঠনের পিসি প্রবীর কুমার সিয়হ, এ্যাডমিন অফিসার মাসুদুর রহমান, সুপার ভাইজার মামুনুর রহিমান ও শাহনেওয়াজ পারভীন। সঞ্চাকের দায়িত্ব পান কবরেন প্র্রোগ্রাম অর্গানাইজার আব্দুর র্জ্জাাক। বক্তারা বলেন, দেশে ২০১৮ সালে ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৭৬ জন যহ্মা রোগী সনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১২৪০ জন এমডিআর-টিবি সনাক্তকরণ হয়েছে। শিশু যহ্মা রোগী সনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৩ শত ৫২ জন। সব ধরনের যহ্মা রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসার সাফল্যের হার প্রায় ৯৪ শতাংশ। তার পরেওও বিশ্বাস স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী এখনো ২৬ শতাংশ যহ্মা রোগী সনাক্তের বাহিরে রয়েছে। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রতি লাখে ২২১ জন নতুন করে যহ্মায় আক্রান্ত হয় এবং ৩৬ জন মৃত্যুবরণ করে। এরোগ থেকে মুক্তি পেতে হলে চিকিৎসার পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরী।