(দিনাজপুর২৪.কম) কাজের মাঝে শিশু করবে মায়ের দুধ পান, সবাই মিলে সব খানে করি সমাধান এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় মঙ্গলবার দিনাজপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০১৫ পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগষ্ট) সকালে দিনাজপুর সিভিল সার্জন অফিস ও জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ঢাকার আয়োজনে সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. ইমদাদুল হক’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ডা. খাদিজা নাহিদ ইভা, জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসাল্টেন্ট ডা. মো. আব্দুল ওয়াহেদ, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. হায়দার আলী, দিনাজপুর পৌরসভার ইউএনডিপির পুষ্টি বিশেষজ্ঞ মো. কামরুজ্জামান, পল্লীশ্রী’র প্রতিনিধি ফারহানা সিদ্দিকী, ফটো সাংবাদিক মো. নুর ইসলাম ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো. নুরুল ইসলাম।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মায়ের দুধ শিশুর বুদ্ধি, মেধা ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। মায়ের দুধ শিশুকে ডায়রিয়া, সেপসিস, নিউমোনিয়া, কান পাকা ইত্যাদি রোগ থেকে রক্ষা করে। এছাড়া ভবিষ্যতে শিশুর ডায়বেটিস, হৃদরোগ, স্থ’লতা ও কিডনি রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়। মায়ের দুধ সহজলভ্য এবং সহজে হজম হয়। মায়ের দুধ খাওয়ানোর ফলে শিশুর নিজ পরিবার ও রাষ্ট্র আর্থিকভাবে লাভবান হয়। তাই শুধু নির্ধারিত দিনে নয়, সারা বছরই শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং সকলকে উৎসাহিত করবে হবে। অনুষ্ঠানে সরকারী-বেসরকারী প্রতিটি অফিসে শিশুকে মায়ের দুধ পান করানোর জন্য একটি কর্ণার স্থাপনের দাবী জানানো হয়।
এর আগে সিভিল সার্জন অফিস হতে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সিভিল সার্জন অফিসে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালি ও আলোচনা সভায় জেনারেল হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. রইছ উদ্দীন, জেলা তথ্য অফিসের সহকারী তথ্য অফিসার মো. সোহেল মিয়া, দিনাজপুর সেবা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, জেনারেল হাসপাতালের নার্স, ইউএনডিপির প্রতিনিধি, ব্র্যাক, আরডিআরএস, এফপিএবি, সূর্যের হাসি ক্লিনিক, আরএস স্টেপ ক্লিনিক, মেরী স্টপ ক্লিনিক, ওয়ার্ল্ড ভিশন, পল্লীশ্রী, কেয়ার-অপস, উদ্যোগসহ সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। -মোঃ ওয়াহেদুর রহমান