(দিনাজপুর ২৪.কম) প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের নিচের ধাপে সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল নির্ধারণ ও শতভাগ পদোন্নতিসহ ১২ দফা দাবীতে জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজ দিনাজপুর জেলা শাখা।
১৯ আগষ্ট বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজ রেজিঃ নং-১২০৪৮ দিনাজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী বরাবর প্রেরিত স্মারকলিপিতে বলা হয় আমরা সর্বপ্রথম বিনম্র চিত্তে ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি বাঙ্গালী জাতির পিতা;সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক দেশটির জন্ম হত না। প্রাথমিক শিক্ষা আজও সেই অন্ধকারের যুগে ঢেকে থাকত। বঙ্গবন্ধু ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়ে ১৯৭৩ সালে এক ঘোষনায় ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করণ করেছিলেন। ২০১৩ সালে যোগ্য পিতার যোগ্য কন্যা আপনিই সরকারী করলেন প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আপনার ৯ মার্চ ২০১৪ তারিখে ঘোষিত উন্নিত বেতন স্কেল প্রমাণ করে এ সরকার শিক্ষা ও শিক্ষক বান্ধব সরকার। অতি বিনয়ের সাথে আপনাকে জানাতে চাই সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে বেতনের পার্থক্য ব্যাপক হারে দেখা দিয়েছে। একজন সদ্য যোগদানকৃত প্রধান শিক্ষক যে স্কেলে বেতন পাবেন, ১৫ বছর চাকুরী করার পর একজন সহকারী শিক্ষক সেই স্কেলে উপনিত হবেন। অথচ উভয়েরই শিক্ষাগত যোগ্যতা একই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে যোগ্যতা ভিত্তিক বেতন স্কেল দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের প্রাণের দাবী প্রধান শিক্ষকদের কেবলই নিচের ধাপে সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল নির্ধারণ করা এবং সহকারী শিক্ষক এন্ট্রি পদ ধরে পরিচালক পর্যন্ত শতভাগ প্রমশন সহ ১২ দফা দাবী বাস্তবায়ন। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষায় আমাদের দাবীগুলোর বাস্তবায়ন বড়ই প্রয়োজন। এই পেশাকে আকর্ষনীয় করতে হবে। নইলে মেধাবী শিক্ষক পাওয়া এবং তাদের ধরে রাখা কঠিন হবে।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজ এর কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সহিদুল ইসলাম, দিনাজপুর জেলা কমিটির সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পদাক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, সদস্য কুসুমেশ্বর বসাক, মাসুদ রানা, মামুনুর রশিদ, মাজেদুল রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান, আব্দুল জলিল প্রমুখ।