(দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮৩৩ শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। শূন্য এসব পদের মধ্যে ৫৪৮টি প্রধান শিক্ষক ও ৭৩৭টি সহকারী শিক্ষক রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক না থাকায় এসব বিদ্যালয়ের পাঠদান এবং প্রশাসনিক ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১৩টি উপজেলায় নতুন জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়সহ ১৮২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকসহ অনুমোদিত পদ ১০ হাজার ২৭৩টি। প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত ১৮২৮টি পদের মধ্যে কর্মরত আছেন ১২৮০ জন ও শূন্য পদ ৫৪৮টি। আর সহকারী শিক্ষকের ৮ হাজার ৪৪৫টি অনুমোদিত পদের মধ্যে কর্মরত আছেন ৭ হাজার ৭০৮জন ও শূন্য পদ ৭৩৭টি। সব মিলে ১ হাজার ২৮৫টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অধীন ১৩ উপজেলায় অফিস কর্মকর্তা-কর্মচারীর ১৫৩টি অনুমোদিত পদের মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ১২১ জন। আর শূন্য রয়েছে ৩২টি পদ। উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারের ৬০টি পদের মধ্যে শূন্য পদ ৪টি। এছাড়া উচ্চমান সহকারী-কাম-হিসাব রক্ষকের ১৩টি পদের মধ্যে শূন্য ৫টি, অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরের ২০টি পদের মধ্যে ৩টি পদ, হিসাব সহকারী ১৩টি পদের মধ্যে ৬টি পদ, এমএলএসএস (অফিস) ১৩টি পদের মধ্যে ৬টি পদ, গাড়ি চালকের একটি ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এমএলএসএস ৮টি পদের মধ্যে ৬টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক না থাকায় এসব বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া অফিস কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ শূন্য থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। এ ব্যাপারে দিনাজপুর জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সমেশ চন্দ্র মজুমদার জানান, প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক এবং অফিস কর্মকর্তা-কর্মচারীর শূন্য পদের বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। শিক্ষক পোল থেকে ও নতুন নিয়োগের মাধ্যমে কিছু শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আশা করি দ্রুত শিক্ষক সংকটসহ অফিস কর্মকর্তা-কর্মচারী সংকটের সমাধান হবে।