(দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের জেলা উপজেলায় কর্মরত সংবাদ কর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর দেয়া করোনা কালীন প্রনোদনা থেকে বঞ্চিত জেলার মাঠ পর্যায়ের কর্মরত সাংবাদিকরা।
প্রধানমন্ত্রীর করোনাকালীন প্রনোদনা তাদের ভাগ্যে জোটেনি। আর প্রধানমন্ত্রীর প্রনোদনা পেলেন যারা সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত নয়। রাজনীতিক নেতা, ঠিকাদার, বীমা কর্মকর্তা, শিক্ষক সহ বিভিন্ন পেশায় যারা যুক্ত তারাও পেলেন এই প্রনোদনার অর্থ। এ নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক ও সুধিমহলের মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো অনেক সাংবাদিক সরকারের নির্ধারিত ফরমে দরখাস্ত করেও প্রনোদনার অর্থ পাননি। আবার অনেকে দরখাস্ত না করেও অলৌকিকভাবে প্রনোদনার অর্থ পেয়ে যান। প্রনোদনার অর্থ প্রদানে এই তেলেসমাতি কারবারে কার জড়িত সেটি এখন প্রশ্ন দিয়েছে। কিভাবে তালিকা হলো আর কিভাবে সেই তালিকা অসাংবাদিকরা স্থান পেল তা সংশ্লিষ্টদের খতিয়ে দেখতে প্রনোদন বঞ্চিত সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জোর দাবী উঠেছে। এদিকে প্রনোদনার চেক বিতরণের জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করা হয়। পরে রহস্যজনক কারণে সেই অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়। ৮ আগষ্ট শনিবার দিনাজপুর প্রেসক্লাবে বিএফইউজে’র সভাপতি মোল্লা জালাল ও মহাসচিব সাবান মাহমুদকে দিয়ে প্রনোদনার চেক বিতরণ করা হয়।
প্রনোদনা বঞ্চিত একাধিক উপজেলার সাংবাদিকরা জানান, উপজেলার সাংবাদিকদের প্রনোদনার তালিকায় নাম না দিয়ে জেলার সাংবাদিকরা নিজেদের নামে প্রনোদনার টাকা নিলেন এটা বিমাতা সুলভ আচরণ করা হয়েছে।
প্রনোদন বঞ্চিত ফটো সাংবাদিক নুর ইসলাম অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, মাঠে কর্মরত সাংবাদিকরা প্রনোদনা থেকে বঞ্চিত হলে আর সাংবাদিকতায় যুক্ত নয় এমন সব ব্যক্তিরা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রনোদনা। অবিলম্বে প্রনোদনা বঞ্চিত সাংবাদিকদের সঠিক তালিকা প্রস্তুত করে প্রনোদনার অর্থ প্রদানের জোর দাবি জানিয়েছেন মাঠে কর্মরত সাংবাদিকরা।