আসলাম উদ্দিন আঙ্গুর (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে প্রকাশ্য দিবালোকে এলোপাথারী ছুরিকাঘাতে মর্জিনা আক্তার (৩৭) নামে একজন নিহত ও তারই বোন ফাতেমা খাতুন সোনিয়া (৩৪) গুরুতর আহত হয়েছে। এই ঘটনায় হত্যাকারী আব্দুল্লাহ শুভকে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার বিকেলে চিরিরবন্দর উপজেলা চত্বরের সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা তাজির উদ্দিনের ভাড়া দেয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মর্জিনা বেগম চিরিরবন্দর সেটেলমেন্ট অফিসের কর্মচারী আমিনুর রশিদ বকুলের স্ত্রী ও আহত সোনিয়া খাতুন তারই শ্যালিকা। আমিনুর রশিদের বাড়ী কুড়িগ্রাম জেলায়।
জানা যায়, চিরিরবন্দর সেটেলমেন্ট অফিসের কর্মচারী আমিনুর রশিদ বকুলের ভাড়াটিয়া বাড়িতে থাকা শ্যালিকা ফাতেমা খাতুন সোনিয়ার সাথে মোবাইলে প্রেম হয় কুমিল্লা জেলার আব্দুল্লাহ শুভর। পরে তাদের মধ্যে বিবাহ হলে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে সোনিয়া জানতে পারে শুভর আরেক স্ত্রী ঘরে রয়েছে। পরে সোনিয়া সেখান থেকে চলে এসে স্বামীকে তালাক দেয়। সোমবার দুপুরে শুভ তার ২ জনকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা চত্বরের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা এলোপাতারি সোনিয়াকে কোপাতে থাকলে বড় বোন মর্জিনা আক্তার বাধা দেয়। এ সময় শুভসহ অন্য ২ জন মর্জিনাকেও কোপায়। এতে ঘটনাস্থলেই মর্জিনার মৃত্যু হয়। পরে এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে শুভকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের নিকট সোপর্দ করে। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্ত আরও ২ জন পালিয়ে যায়। বিকেলে আহত সোনিয়া ও আসামী শুভকে দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিরিরবন্দর থানার ওসি হারেসুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।