মোঃ ওয়াহেদুর রহমান  (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর সদর থানার লাটুয়াপাড়ায় পূর্ব শত্র“তার জের ধরে বসত বাড়ীর ঘর ভাংচুর সহ অগ্নিসংযোগ ঘটনা ঘটেছে।  জানা গেছে, সদর থানার ৭নং উথরাইল ইউনিয়নের বিশ্বম্ভরপুর লাটুয়াপাড়ায় পৈত্রিক সম্পত্তির বসত ভিটার ভাগাভাগির অংশ নিয়ে ভাইদের মধ্যে দন্দ্ব সৃষ্টি হয়। ফলে গত ১১ই এপ্রিল বেলা ১১ টায় আজিজুরের হুকুমে রায়হান, মানিক ও বাবর আলী সহ ৫/৭ জনের একটি দল দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে মৃত ডাঃ ইদ্রিস আলীর পুত্র আব্দুল জব্বারের বাড়ীতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে বসত বাড়ির ঘর ভাংচুর করতঃ হুমকি দিয়ে চলে যায়। এব্যপারে গত ১৪ই এপ্রিল কোতয়ালী থানায় আব্দুল জব্বার একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। এই ডায়েরী করার পরদিন ১৫ই এপ্রিল শুক্রবার সকাল ৯টায় আজিজুরের সহযোগিতায় তারা আবারো দেশীয় ধারালো অস্ত্র সহ বোতলের পেট্রোল ও ম্যাচ নিয়ে বসতবাড়ির ভিতরে অনাধিকার প্রবেশ করে বাড়ির সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন ঘরের ভিতর থেকে খড়িগুলো বের করে গর্তে ফেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এ ব্যাপারে আব্দুল জব্বারের স্ত্রী আমিজা বেগম সহ স্থানীয় প্রতিবেশি মোস্তাকিম আফতাব আলী মঞ্জুরুল সহ অনেকে বাধা দিলে রায়হান ও মানিকের দল ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দেয়ায় তাদেরকে বাধা দিতে সাহস পায়নি। তৎপর মানিক ও রায়হান দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে জব্বারের বারান্দার চালের টিন খুলে ভাংতে থাকে। আমিজা সহ ঘটনার প্রত্যক্ষকারীদের আত্মচিৎকারে স্থানীয় ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান সহ আরোও অনেকে এগিয়ে আসলে তারা হুমকি দিয়ে বলে, আজকের মত বেঁচে গেলি, এ বিষয়ে বেশি বারাবারি করলে রাতের আঁধারে আগুন জ্বালিয়ে গোটা পরিবারকে হত্যা করব, মর্মে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে তার সট্কে পড়ে। এব্যাপারে আব্দুল জব্বার কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও থানার পুলিশ ঘটনা তদন্তে যাবো যাচ্ছি বলে সময় কালক্ষেপন করছেন। আমাদের প্রতিনিধি গতকাল রবিবার ঘটনা সরজমিনে তদন্তকালে আব্দুল জব্বারের স্ত্রী জানায়, তার স্বামী উক্ত সন্ত্রাসীদের ভয়ে বাড়িতে আসতে সাহস পাচ্ছে না। এব্যাপারে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।