(দিনাজপুর২৪.কম) আজ শনিবার ১৬ এপ্রিল সকাল ১০ টায় দিনাজপুর জেলা দায়রা জজ আদালতের হল রুমে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মাহমুদুল করিম এর সভাপতিত্বে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলার সিনিয়র জেলা দায়রা জজ জনাব হোসেন শহীদ আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর পুলিশ সুপার মোঃ রুহুল আমিন, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এফএম আহসানুল হক, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফিরোজ কবির, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল হোসেন, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোপাল চন্দ্র রায়, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কৃষ্ণ কমল রায়, পাবলিক প্রসিকিউটর দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সহ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, কোর্ট ইন্সপেক্টর মোঃ আবু সাইদ সরকার, জেল সুপার, জেলার ১৩টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ সহ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ লিয়াকত আলী প্রমুখ। অনুষ্ঠান শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল হোসেন। সভায় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, দিনাজপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন পুরাতন মামলা সমূহ দ্রুত নিষ্পত্তি সহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পূর্ণ করতঃ প্রতিবেদন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সকলকে তাগিদ প্রদান করেন। বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করণ ও সমাধান সম্পর্কে আলোকপাত করেন। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন মামলার স্বাক্ষীদের প্রতি ইস্যুকৃত প্রসেস সমূহ ঈৎ.জ.ঙ এর রুল ৬৪-৬৯ এর বিধানের প্রতি লক্ষ্য রেখে জারীপূর্বক আদালতে প্রেরণের বিষয় পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন। এজাহার দাখিলের সময় জব্দ তালিকা সহ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দাখিলের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী আইনের সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়া শিশুরা আইনের সংস্পর্শে আসা শিশুকে ম্যাজিস্টেটের নিকট উপস্থিত না করে সংশ্লিষ্ট শিশু আদালতে উপস্থাপনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন। বিচার বিভাগ, স্বাক্ষী সহ এ্যাডভোকেটদের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে আদালত প্রাঙ্গনে নিরাপত্তা জোরদার করার তাগিদ দেন। প্রধান অতিথি বলেন, আমরা প্রকৃত অপরাধীকে সাজা দিতে চাই। এজন্য স্বাক্ষীদের আদালতের মাধ্যমে ১৬৪ ধারা জবানবন্দি দেওয়ার ব্যাপারে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। মার্ডার, ধর্ষণ এসব ঘটনা দ্রুত গতিতে ম্যাজিস্টেটের নিকট স্বাক্ষীদের ১৬৪ ধারা জবানবন্দি করাবেন। এটি ডকুমেন্ট হিসেবে আদালতে কাজ করবে। মাদকদ্রব্যের বিষয় তিনি বলেন, অপারেশনের সময় মাদকদ্রব্য ধরার সাথে সাথে ওজন করতে হবে। যেভাবে মাদকদ্রব্য পেলেন সেভাবেই সিজার লিস্ট করতে হবে। মোবাইল কোর্ট এখন ঘরে বসে হচ্ছে। ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে সাজা দিবেন। মালখানায় পর্যাপ্ত জায়গা নেই। তাই পর্যাপ্ত জায়গার ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিত দেন।