(দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুর উপজেলার ফুলবাড়ীতে পুলিশের মদদে স্থানীয় চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু তোফায়েল হোসেন চৌধুরী ও তার সহযোগীদের দ্বারা নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখলের মহড়ার বিরূদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সুবক্তগীন চৌধুরী। শুধু জমি জবর দখলই নয়, রীতিমত তিনি প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছে মামলা করে আমাদের দমানো যাবে না। আমরা যেখানে যা করতে চাইবো, তাই করতে পারবো। সেখানে পুলিশ-সাংবাদিক কেউই আসবে না। আসলেও সবাই আমাদের পক্ষেই থাকবে। গতকাল সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সুবক্তগীন চৌধুরী লিখিত বক্তব্যে উপরোক্ত তথ্যগুলো বলেন। গত ১৮ জুলাই ২০২০ সকালে ফুলবাড়ী উপজেলা কাজিহাল ইউপির নিরট্টি বাজার সংলগ্ন এলাকায় তোফায়েল হোসেন চৌধুরী ও তার সহযোগীরা আমার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত প্রায় ১০ একর জমিতে জবর দখল করে ধান রোপন করতে যায়। এ সময় সেখানে শতাধিক মানুষের একটি লাঠিয়াল বাহিনী প্রস্তুত করে রাখা হয়। সুবক্তগীন জানান, পুলিশকে খবর দেয়া হলে তারা যেন কোন কিছুই জানেন না আর জানতেও চান না মত ভাব দেখায়। মূলতঃ তাদের নামে গত ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার একটি মামলা দায়ের করা হয়।
সুবক্তগীন আরও জানান, গত ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সুবক্তগীন চৌধুরী বাদী হয়ে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ তোফায়েল হোসেন চৌধুরীসহ ৯ জনের নামে ফুলবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করি। যার মামলা নং-১২, তারিখ-১৬-০৭-২০২০ইং। ধারা- ১৪৩/ ৪৪৭/ ৩২৩/ ৫০৬ (২)/ ৩৪ দঃ বিঃ। আমার জমিতে আসামীরা রাত ২টায় গিয়ে জমির বিচন নষ্ট করা অপচেষ্টা চালায়। এ সময় জমির আধিয়ার নুর ইসলামসহ কয়েকজন বাধা দিলে তারা সন্ত্রাসী কায়দায় তাদের এলোপাথারী মারপিট ও জখম করে। এ ঘটনার আগে উল্লেখিত জমি জবর দখলের ঘটনায় আরও কয়েকটি মামলা দায়ের হয়। তারা আমাকে অত্যন্ত কর্কশ ভাষায় বলে, জমি বিক্রি করতে হলে আমাকে চাঁদা দিতে হবে। না হলে আমি যে দাম বলবো, সে দামেই আমাকে দিতে হবে। অন্য কেউ জমি ক্রয় করতে পারবে না। তার কথাকে আমি কথার কথা বিবেচনা করে জমি একজনের নিকট বিক্রির জন্য ফুলবাড়ী রেজিষ্ট্রি অফিসে যাই। কিন্তু তারা দলবলসহ সেখানেও হাকিমের কক্ষে পর্যন্ত হামলা চালায়। এ সময় আমার নিকট থাকা ১০ লাখ টাকাও লুট করে নিয়ে যায়। যার মামলা নং-জি.আর-১৪/২০২০, তারিখ- ১৭-০১-২০২০ইং। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তোফায়েল, আক্তার ও তাদের সহযোগীরা এভাবে একের পর ঘটনা ঘটিয়েও তারা বুক ফুলিয়ে এলাকায় বিচরন করলেও প্রশাসন তাদের বিরূদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া তো দূরের কথা, উল্টো নিরপরাধ মানুষের উপর গ্রেফতার-হয়রানীর ভয় দেখাচ্ছে। পুলিশ আসলে কি কারনে নির্বিকার এটাই এখন বড় প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিষয়টিতে আমরা উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।