কামারুজ্জামান (দিনাজপুর২৪.কম) পুত্র ধর্ষণ করেছে। তাকে বাঁচাতে মাঠে নেমেছে পিতা। ধর্ষিতার বাবাসহ পরিবারের লোকজনকে দিচ্ছে নানা ধরণের হুমকি-ধামকি। অবশেষে পুলিশ পিতা মোঃ সাখাওয়াত হোসেনকে গ্রেফতার করেছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামী পক্ষের আইনজীবীগণ জামিন আবেদন করলেও আদালত তা না মঞ্জুর করে দেন। ধর্ষণের ওই ঘটনাটি ঘটেছে বিরল উপজেলার ৬নং ভান্ডারা ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে। এ ব্যাপারে বিরল থানার মামলা নং-২, তারিখ ০৩/১০/২০২০ইং ধারা-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সং/০৩) ৯ (১) তৎসহ ৫০৬ দঃবিঃ।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর বিরল উপজেলার রামপুর গ্রামের একজন ভ্যান চালকের নাবালিকা কন্যা মমতা খাতুনকে (ছদ্ম নাম) মুখ চেঁপে ধরে পার্শ্ববর্তী জনৈক ওয়াহেদ আলী বাবুলের লিচু বাগানের মাঝখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। মমতা খাতুনের চিৎকারে প্রতিবেশী আব্দুল মতিন, ফরিদা বেগম দৌড়ে আসে। তারা টর্চলাইট নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় ধর্ষণকারী জাহিদুর রহমান মমতা খাতুনকে ছেড়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে মমতা খাতুন ওই প্রতিবেশীদ্বয় ও তার মাকে বিস্তারিত ঘটনা খুলে বলে। বিষয়টি জানাজানির পর জাহিদুরের পিতা সাখাওয়াত হোসেন আপোষ-মিমাংসার প্রস্তাব দিয়ে মূলত: সময় ক্ষেপন ও টালবাহানা করতে থাকে। এর মধ্যে মমতা খাতুনের বাবাসহ পরিবারের লোকজনদের বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করতে থাকে। এক পর্যায়ে সাখাওয়াত ঘোষনা দেয়, আমি কোনো মিমাংসা করতে পারবো না, তোমাদের কিছু করার থাকলে করো। এমন পরিস্থিতিতে গত ৩ অক্টোবর সন্ধায় মমতা খাতুনের পিতা বাদী হয়ে বিরল থানায় মামলা দায়ের করে। পরে বিরল থানা পুলিশ মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করে। মামলার ১নং আসামী জাহিদুর রহমান গাঢাকা দেওয়ায় তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযানকালে পুলিশ অপর আসামী ধর্ষক জাহিদুরের পিতা সাখাওয়াত হোসেনকে গ্রেফতার করে।