আবু সাঈদ (দিনাজপুর২৪.কম)  দিনাজপুর বিরামপুর রেলষ্টেশনে খুলনা থেকে সৈয়দপুরগামী রুপসা ট্রেনে বিজিবি’র তল্লাশি চলাকালীন সময়ে স্থানীয় চোরাকারবারী ও বিজিবি’র মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে বিজিবি’র গুলিতে দুই যুবক নিহত হয়। নিহতরা হলেন,উপজেলার কলনীপাড়ার শুকুর দফাদারের ছেলে স্টেশনের প্লাটফর্মের হোটেল ব্যবসায়ী শাহিনুর (৩২) এবং একই এলাকার হোটেল কর্মচারী আব্দুর রশিদের ছেলে সুলতান (২৮)। এলাকাবাসী ও স্থানীয়দের তথ্যমতে জানা যায়, আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় বিরামপুর রেলষ্টেশনে প্লাটফর্মের উত্তরেপার্শ্বে অস্থায়ী হোটেলে বিজিবি’র সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় বিজিবি এক জনকে আটক করলে স্থানীয় জনতা এবং বিজিবি’র মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিজিবি সদস্যরা জনতার রোষানলে পড়লে আতœরক্ষার্থে গুলি ছোড়ে ।
ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা লাশ নিয়ে দিনাজপুর গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়ক এবং বিরামপুর সৈয়দপুর রেলপথ অবোরোধ করেন। স্থানীয়রা জানান, বিজিবির গুলিতে নিহত ২ যুবক কোনো চোরাচালানীর সাথে জড়িত নয়। একজন পান দোকানদার ও অন্যজন কাপড় ব্যবসায়ী। সূত্র মতে বিজিবি বিনা কারণে গুলি করে বলে নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে। মৃতের পরিবারের দাবী এটি কথিত সংঘর্ষ সাজিয়ে বিজিবির সদস্যরা বাচতে চাইছে। যার কারণে স্থানীয়রা রাস্তা অবরোধ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এই ঘটনায় সম্পৃক্ত বিজিবিদের দ্রুত বিচারের দাবী জানিয়েছে নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মনিরুজ্জামান আল মাস-উদ ও বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিরুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দিনাজপুর২৪.কমকে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত স্বজনরা ন্যায় বিচার পাবে।
২৯ বিজিবি’র অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল কোরবান আলীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ফোনে তাঁকে পাওয়া যায়নি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখন সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।