জাহিদ হোসেন (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরে তহমিনা বেগম জাহেদা হাসপাতালে মৃত্যুর সময় তার বোনের পরিবার সুযোগ বুঝে বাড়ী থেকে নগদ টাকা, স্বর্নলংকার, মালামাল সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চুরি করে নিয়ে যাওয়ার চাঞ্চলকর খবর পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে মৃত্যু তহমিনা বেগম জাহেদার স্বামী-মোঃ জাহিদ হোসেন ৮জনকে আসামী করে কোতয়ালী থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছে।
অভিযোগে জানা গেছে দিনাজপুর শহরের নিমনগর শেখপুরা ২৭নং রেলব্রিজ সংলগ্ন তহমিনা বেগম জাহেদার বাড়ী। গত ৬ই ডিসেম্বর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তহমিনা বেগম জাহেদা মৃত্যু বরন করেন। স্বামী জাহিদ হোসেন তার স্ত্রীর তহমিনা বেগম মারা যাওয়ায় নিজ বাসায় এনে কাফন দাফন করার সময় ব্যস্ত থাকায় ঐ সুযোগে শামীম, মোতাহার, জুয়েল, মোছাঃ সাদিনা, মোছাঃ রোকেয়া ওরফে বৃষ্টি, মোছাঃ খাতুন, মোঃ নুরু ও মোঃ ইউনুস একজোট হয়ে সুকৌশলে ঘরের ভিতরে ঢুকে ২ভরি স্বর্ণলংকার, বাড়ীর জরুরী কাগজপত্র, নগদ ১১হাজার টাকা, জাতীয় পরিচয় পত্র, সেমফনি মোবাইল সেট সহ আসবাবপত্র সকলের অগোচরে চুরি করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে জাহিদ হোসেন স্থানীয় পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী আকবর হোসেন অরেঞ্জ এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গকে অবগত করে। ১৬ ডিসেম্বর আবারোও উক্ত আসামীরা দলবদ্ধ হয়ে বাড়ীতে এসে জাহিদ হোসেনকে মার ডাং করে ঘরের চাবী, মোটরসাইকেল এর চাবী, জিনিষপত্র, আশা সমিতির সঞ্চয়, ঘরের ওয়াডড্যপ ভেঙ্গে ডিপিএস এর ৩৩হাজার ৩শ ৬৪টাকা সহ জাহিদকে ঘরে আটকে রেখে ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। পরিস্থিতি দেখে মুঠো ফোনে স্থানীয় কাউন্সিলর এর সাথে যোগাযোগ করলে শাহিন, ইসাহাক, শরিফা, রোকেয়া, বিউটি, রিনা সহ অনেকে এসে এবং পুলিশের সহযোগিতায় জাহিদ হোসেনকে উদ্ধার করে। এসময় স্থানীয় লোকজন আসামীদেরকে বাড়ী থেকে বের করে দিয়ে জখমি অবস্থায় জাহিদ হোসেনকে দিনাজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। গত ১৬ ডিসেম্বর অফিসার্স ইনচার্জ কোতয়ালী থানা দিনাজপুর নিকট ৮জনকে আসামী করে জাহিদ হোসেন একটি এজাহার দায়ের করেন। বর্তমানে এজাহারভুক্তদের ভয়ে জাহিদ হোসেন সহ তার ভাড়াটিয়ারা মানবেতর জীবন যাপন করছে। এ ব্যপারে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।