(দিনাজপুর২৪.কম)  দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতাল (সদর হাসপাতল) মোড় এলাকায় অবস্থিত পলি ক্লিনিকে নার্স ও বয় দিয়ে আরিফুল হোসেন (৭) নামে এক শিশুর অপারেশন করাকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজনদের সাথে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের হাতা-হাতির ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝতা করিয়ে দেয়।  বুধবার (২৯ জুলাই) দিনগত রাত ১২টার দিকে দিনাজপুর শহরের সদর হাসপাতাল মোড় এলাকায় অবস্থিত পলি ক্লিনের অভ্যন্তরে এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে। শিশু আরিফুলের পিতা দিনাজপুর সদর উপজেলার বাঙ্গীবেচাঁ ঘাট মাঝাডাঙ্গা এলাকার আক্তার হোসেন জানান, তার ছেলে আরিফুল হোসেনকে প্রসাবের রাস্তার রগের (ভ্যান) পাশে একটি স্থানে পানি জমে যায়। উক্ত পানি অপারেশনের মাধ্যমে বের করার জন্য বুধবার দুপুরে সদর হাসপাতল মোড়স্থ এলাকায় পলি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অপারেশনের নির্দিষ্ট সময় রাত ১০ পার হয়ে গেলেও চিকিৎসক না আসায় ক্লিনিকের নার্স ও বয় আরিফুলকে অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) নিয়ে গিয়ে অপারেশন করবে এমন খবর পেয়ে আমরা তাদের বাধা দেই। এক পর্যায়ে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের লোকজনদের সাথে আমাদের হাতা-হাতির ঘটনা ঘটে। সংবাদ পেয়ে দিনাজপুর কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। পরে পুলিশ উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা করিয়ে দেয়।
এ ব্যাপারে ক্লিনিক মালিক আবু রায়হান ইভা জানান, নার্স-বয়রা অপারেশন করার জন্য রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়নি। ডাক্তার রুহুল আমিন আসছেন মোবাইল ফোনে জানালে রোগীটিকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে তৈরি করছিলো নার্স ও বয়রা। আর রোগীর স্বজনরা মনে করেছেন নার্স-বয়রাই অপারেশন করবে। এটি শুধু একটি ভুল বুঝাবুঝি তেমন কোন ঘটনাই না।
দিনাজপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম খালেকুজ্জামান পিপিএম জানান, পলি ক্লিনিকে রোগী ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের মধ্যে হাতা-হাতির ঘটনা চলছে এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান নওশাদের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষ নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করে নেয়।

-(মাহবুবুল হক খান)