এম.এ সালাম (দিনাজপুর২৪.কম) ঘটনাটি ঘটেছে দিনাজপুর কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের বাগপুর গ্রামে চিড়াকুটি পাড়ায়। গভীর রাতে দুর্বৃত্তদের ছোড়া এসিডে জোহর নেগার নামে এক গৃহবধুর শরীরের বিভিন্ন অংশে ঝলসে যাওয়ায় গুরুত্বর অবস্থায় দি.মে.ক হাসপাতালের ৪র্থ তলার মহিলা সার্জারী ওয়ার্ডের ৪০১ নং কেবিনে ভর্তি করা হয়েছে।

এসিড দগ্ধ জোহর নেগারের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে মৌসুমী আক্তার এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঘটনার কথা সাংবাদিকদের জানান, গত ১২ আগস্ট ঈদুল আজহার দিন রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে জোহর নেগারের আপন চাচাতো ভাই পল্লী চিকিৎসক ও মোঃ তোজাম্মেল হক জোহর নেগারকে জানালা দিয়ে জরুরী আলাপ আছে, বাড়ি হতে বাহির না হলে বাড়িতে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিলে ভয়ে জোহর নেগার ও তার মেয়ে মৌসুমী আকতার বাড়ি থেকে বাহির হয়। মোঃ তোজাম্মেল হকের সাথে থাকা রজব আলীর ছেলে মোঃ গণি মিয়া ও আহের আলী কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই গনি মিয়া ও আহের আলী জোহর নিগারের দুই হাত চিপে ধরে তোজাম্মেল হক তার হাতে থাকা এসিড জোহর নেগারের শরীরে ঢেলে দেয়। অসহ্য যন্ত্রনায় চিৎকার শুরু করলে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা। জোহর নেগারের চিৎকারে প্রতিবেশী বিমল চন্দ্র, তার স্ত্রী ও অরুন চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভিকটিমের শরীরে পানি ঢালে এবং দি.মে.ক হাসপাতালে দ্রুত ভর্তি করান।

এ ব্যাপারে সন্দেহভাজন মোঃ তোজাম্মেল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি জানান, জোহর নেগার আমাদেরকে ফাসানোর চেষ্টা করছে। তার এই অভিযোগ সম্পূন্ন মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। আমি অপরাধ করলে পালিয়ে যেতাম। আমি তো সবার সম্মূখে রয়েছি। দিনাজপুর কাহারোল থানার তদন্ত অফিসার মোঃ মফিজুল ইসলাম বলেন, এ পর্যন্ত আমরা ভিকটিমের পক্ষ থেকে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।