সংগ্রহীত

স্টাফ রিপোর্টার (দিনাজপুর২৪.কম)  দিনাজপুরে পুকুর পুনঃখনন, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও বালু বিক্রির প্রায় ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মৎস্য অধিদফতরের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মঞ্জুরুল ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার আফসার আলীকে আটক করেছে দুদক। বুধবার বিকেল সাড়ে চারটায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। দিনাজপুর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ পরিচালক আবু হেনা আশিকুর রহমান জানান, আটক উপ-সহকারী প্রকৌশলী মঞ্জুরুল ইসলাম জেলার বিরল উপজেলার কাজীপাড়া বালান্দর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ ও আফসার আলী বিরল উপজেলার ফরাক্কাবাদ এলাকার ইয়াকুব আলীর ছেলে। তবে, শহরের পাটুয়াপাড়ায় আলীশান বাড়ি তৈরি করে আফসার আলী এখন বসবাস করেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, পুলহাট এলাকার মৎস্যবীজ উৎপাদন খামারের ৪টি পুকুর পুনঃখনন বাবদ ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৫ টাকা, সীমানা প্রাচীর পুনঃনির্মাণ বাবদ ৭৯ হাজার ৯২৫ টাকা এবং ৪টি পুকুর পুনঃখনন বাবদ উত্তোলিত বালু অবৈধভাবে বিক্রি বাবদ ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৯৫০ টাকা সর্বমোটে ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ৭২১ টাকা পরস্পর যোগসাজসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আত্মসাত করেছেন।

তাই শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় এজাহার নামীয় আসামি হিসেবে তাদের আটক করা হয়েছে।

এই মামলার আরো ২ আসামি হলেন, পুলহাট মৎস্যবীজ উৎপাদন খামারের ব্যবস্থাপক সদর উপজেলার কমলপুর আাইহাই গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মৎস্য জরিপ কর্মকর্তা ফয়জার রহমান ও ঠিকাদার আফসার আলীর স্ত্রী মেসার্স দ্বীপ এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী দিলরুবা আলী।

আসামিদের পুলিশের মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে দিনাজপুর মৎস্য অধিদফতরের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিশেষ কাজে রংপুরে অবস্থান করছেন এবং এ আটক সক্রান্ত বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানন।