(দিনাজপুর২৪.কম) বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের এলিমিনেটর ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসকে সহজে হারিয়ে দিলো ঢাকা ডায়নামাইটস। অথচ ম্যাচটা শেয়ানে শেয়ানে লড়াই হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু তেমনটা হলো না। শুরু থেকে শেষ অবধি দাপট দেখিয়ে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে নিলো সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটস। এর ফলে আসর থেকে বিদায় নিলো মুশফিকুর রহিমের চিটাগং। আর ফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলো ঢাকা। আজ সন্ধ্যায় প্রথম কোয়ালিফায়ারে পরাজিত দলের সাথে লড়াই করে ফাইনালে যেতে হবে সাকিবদের।

ঢাকার জয়ের নায়ক ওপেনার উপল থারাঙ্গা। ৪৩ বলে সাতটি বাউন্ডারিতে ৫১ রান করেছেন তিনি। তবে ভিত্তিটা মজবুত করে দিয়েছেন আরেক ওপেনার সুনীল নারাইন। তিনি ১৬ বলে ছয়টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কায় ৩১ রানের দুর্দান্ত একটি ইনিংস খেলেছেন।

তবে অধিনায়ক সাকিব এবারো ব্যাট হাতে ব্যর্থ ছিলেন। শূন্য হাতে ফিরে গেছেন।

রনি তালুকদার ও নুরুল হাসান- দু’জনেই ২০ রান করেছেন। আর সাত রান নিয়েছেন কাইরন পোলার্ড।

চিটাগংয়ের খালেদ আহমেদ সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেছেন।

এর আগে এর আগে মিরপুর শেরে বাংলায় দুপুর দেড়টায় টস জিতে ব্যাট হাতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিয়েছিলেন ওপেনার দক্ষিণ আফ্রিকার ক্যামেরন ডেলপোর্ট। মারমুখী মেজাজে রান তুলছিলেন তিনি। তাকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন আরেক ওপেনার ইয়াসির আলি। কিন্তু বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি ইয়াসির। ঢাকা ডায়নামাইটসের পেসার রুবেল হোসেনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ৮ রানে ফিরে যান তিনি।

এরপর তিন নম্বরে নামা সাদমান ইসলামকে নিয়ে ইনিংস গড়ার কাজে মনোযোগি হন ডেলপোর্ট। ২৭ বলে ৩৪ রানের জুটি গড়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেন ডেলপোর্ট। রান আউটের ফাঁদে পড়ার আগে পাঁচটি চার ও একটি ছক্কায় ২৭ বলে ৩৬ রান করেন ডেলপোর্ট।

৫৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানো চিটাগংকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব ছিল অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের। কিন্তু তিনি এবার ব্যর্থ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার সুনীল নারাইনের ডেলিভারিতে বোল্ড হন মুশফিক। একটি চারে ছয় বলে আট রান করেন তিনি।

অধিনায়কের বিদায়ের পর ধস নামে চিটাগংয়ের ইনিংসে। তাই তিন উইকেটে ৭৬ রান থেকে সাত উইকেটে ১০৯ রানে পরিণত হয় দলটি। ফলে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছানোটাই কঠিন হয়ে দাড়ায় চিটাগংয়ের জন্য। কিন্তু শেষদিকে, ব্যাট হাতে ছোট্ট ও বুদ্ধিদীপ্ত একটি ইনিংস খেলেন মোসাদ্দেক হোসেন। তিনটি চারের সাথে একটি ছক্কায় ৩৫ বলে ৪০ রান তুলে চিটাগংকে ১৩৫ রানের স্কোর এনে দেন তিনি।

ঢাকার পক্ষে ১৫ রানে চার উইকেট নেন নারাইন। এবারের বিপিএলে এটিই তার সেরা বোলিং ফিগার। -ডেস্ক