(দিনাজপুর২৪.কম) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে ইংরেজি নতুন বছর উপলক্ষে ‘থার্টি ফাস্ট’ উদযাপনের রাতে ঢাকায় সকল বার বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে বৈধ অস্ত্র বহন ও প্রদর্শনও নিষিদ্ধ। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে আসন্ন বড়দিন উদযাপন এবং থার্টি ফার্স্ট নাইটে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আয়োজিত সভায় শেষে এসব তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘৩১ ডিসেম্বর বিকেল থেকে থেকে ঢাকা শহরের সকল বার বন্ধ থাকবে এবং পরের দিন ভোর ৫টা পর্যন্ত কোন লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্রও কেউ বহন বা প্রদর্শন করতে পারবেন না। থার্টি ফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে কোনো সমাবেশ করা যাবে না। তবে ইনডোরে হোটেল বা যার যার বাসাবাড়িতে যারা অনুষ্ঠান করতে চান তারা করবেন। সেখানে যদি নিরাপত্তার প্রায়োজন হয় আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে নিরাপত্তা দেব।’

আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘থার্টি ফার্স্ট নাইটে গুলশান, বনানী, বারিধারা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার পর কোনো বহিরাগত প্রবেশ করতে পারবে না। বহিরাগত প্রবেশ আমরা নিয়ন্ত্রণে রাখব।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বড়দিন উপলক্ষে ঢাকা মহানগরীর ৭৫টি চার্চ ছাড়াও কূটনৈতিক জোন, হোটেলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ২৪-২৫ ডিসেম্বর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৫ হাজার সদস্য। এদের সহায়তার জন্য আনসার-বিজিবি সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হবে। বড় চার্চগুলোতে আর্চওয়ে ও সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। ডিএমপি ও র‌্যাব আলাদা আলাদাভাবে নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করবে এবং ইভটিজার ও নেশাখোরদের নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

সম্প্রতি আমেরিকা নিউইয়র্কে বোমা হামলাকারী আকায়েদ সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আকায়েদ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তিনি ২০১১ সাল থেকে সেখানে বসবাস করেছেন। বাংলাদেশে থাকা তার আত্মীয়-স্বজনের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খোঁজখবর নিচ্ছেন। আকায়েদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাদের কোনো সংযোগ পাওয়া গেলে সরকার ব্যবস্থা নেব।

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এ বিষয়ে এক প্রশ্নে জবাবে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, কেবল বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডই নয়, বঙ্গবন্ধুসহ সব হত্যাকাণ্ডের পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। -ডেস্ক