(দিনাজপুর২৪.কম) বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত দেশগুলোর মধ্যে একটি তারা। দেশটির শক্তি বিভাগের এক ব্লগ পোস্টের সূত্র ধরে সিএনএন জানিয়েছে, ভারত একটি “উচ্চাকাঙ্ক্ষী” লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। দেশটি বায়ু পরিষ্কার করার জন্য খনিজ তেলচালিত যান বিক্রি বন্ধ করবে।
ভারতের আর্থিক উন্নয়নের ফলে নতুন নতুন শিল্প এবং যানবাহনের কারণে আশ্চর্যজনকভাবে বাড়ছে বায়ুদূষণ। আর এর ফলে দেশটির ১৩০ কোটি বাসিন্দা পরিবেশ দূষণের ভূক্তভোগী হচ্ছেন। ধারণা করা হয় দেশটিতে প্রতি বছর ১২ লাখ মানুষ বায়ু দূষণের কারণে মারা যান।
ডাক্তারদের মতে, দেশটির রাজধানী নয়া দিল্লীতে এক দিন শ্বাস নেওয়া মানে ১০টি সিগারেট থেকে ধূমপাণের সমান।
সম্প্রতি দেশটির শক্তি মন্ত্রী পিয়ুস গয়াল বলেন, কয়েক বছরের জন্য ভর্তুকি দিয়ে তারা বৈদ্যুতিক গাড়ির উৎপাদন শুরু করতে সহায়তা করবে। “এরপর বৈদ্যুতিক যানগুলো নিজের মূল্য নিজেই দিতে শুরু করবে।”
২০২০ সালের মধ্যে বৈদ্যুতিক এবং হাইব্রিড গাড়ির বার্ষিক বিক্রি ৬০ থেকে ৭০ লাখে নিয়ে যেতে চান দেশটির ন্যাশনাল ইলেক্ট্রিক মোবিলিটি মিশন প্ল্যান।
বর্তমান বিশ্বে বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রিতে শীর্ষস্থানে রয়েছে মার্কিন প্রোকৌশলী ইলন মাস্কের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা। এ যাবত ভারতের বাজারে প্রবেশ করেনি এই প্রতিষ্ঠান। তবে, মাস্ক বারবারই ভারতে দোকান খোলার ব্যাপারে তার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। চলতি বছরের শুরুতে মাস্ক আবারও বলেন এবার গ্রীষ্মেই এটি হতে পারতো কিন্তু পরিকল্পনাগুলো পেছাতে হচ্ছে।
ভারতের বাজারে টেসলা’র প্রবেশ নিয়ে উন্মুখ হয়ে আছে দেশটি। এমনকি দেশটির শীর্ষস্থানীর বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাহিন্দ্রা-এর প্রধানও মাস্ককে বলেন, তিনি এই প্রতিযোগিতাকে স্বাগত জানাবেন। আনান্দ মাহিন্দ্রা বলেন, “যত বেশি পাওয়া যায় তত বেশি আনন্দ এবং তত বেশি সবুজায়ন।”
ভারতে সবুজায়নের লক্ষ্যে বৈদ্যুতিক গাড়ির ওপর নির্ভরতা বাড়ানো একটি উদ্যোগ মাত্র। এর পাশাপাশি সৌর শক্তির বিস্তৃতির লক্ষ্যেও কাজ করছে দেশটি। -ডেস্ক