তালা (সাতক্ষীরা) (দিনাজপুর ২৪.কম) তালায় ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা পিজি হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে মিষ্টি খাতুন (১৫) নামের এক স্কুল ছাত্রী। সে উপজেলার সদর ইউনিয়নের জেয়ালা নলতা গ্রামের মাহাবুর মহলদারের কন্যা। প্রায় দু’মাস পূর্বে ফুটফুটে মিষ্টি খাতুনের ব্রেইন টিউমার ধরা পড়ে। দুই দফা অপারেশন করেও সে সুস্থ হয়নি। বর্তমানে সে ঢাকা পিজি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। চিকিৎসকরা বলেছেন, মিষ্টিকে বাঁচাতে হলে দ্রুত অপারেশন করার প্রয়োজন। অপারেশনের জন্য প্রায় ৫ লক্ষ টাকা খরচ হবে। কিন্তু হত-দরিদ্র পিতা মাহাবুবের পক্ষে এত টাকা যোগাড় করা অসম্ভব। চোখের সামনে মেয়েকে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর দিকে ধাপিত হতে দেখে পাগল প্রায় তাঁর মা-বাবা ও স্বজনরা। মেয়ের চিকিৎসার টাকা যোগাড় করতে না পেরে চোখে মুখে অন্ধকার দেখছে তার পিতা। তাই তিনি বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা- মোঃ মাহাবুর মহলদার, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ১০৭৯/৩,জনতা ব্যাংক,তালা শাখা,সাতক্ষীরা অথবা ০১৭২৬-৮৭৭১৫৫ মোবাইল ফোন নম্বরে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেছেন।

তালা (সাতক্ষীরা) (দিনাজপুর ২৪.কম)তালা উপজেলা শ্রমিকলীগের উদ্যোগে বর্ধিত সভা বৃহস্পতিবার বিকালে স্থানীয় তালা ডাকবাংলা সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তালা উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি সূর্য্যকান্ত পাল এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মো. সেলিম হোসেন এর পরিচালনায় সভায় উপজেলা শ্রমিকলীগ নেতা গাজী মিনাজ উদ্দীন, জি. এম. শফিউর রহমান ডানলাপ, দেবেন্দ্র নাথ সরকার, মো. শাহাবুদ্দীন বিশ্বাস, মো. মশিয়ার রহমান, সন্তোষ দেবনাথ মনা, আব্দুল গোফুর মোড়ল, কামরুল ইসলাম, শাহাজাহান ও সালাউদ্দীন প্রমুখ বক্তৃতা করেন। সভায়, পব্রি রমজান মাসে সংগঠনের পক্ষ থেকে ইফতার মাহিফিল করা, কমিটি গঠন ও সংগঠনের কর্মকান্ড জোরদার সহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা হয়। উক্ত সভায় শ্রমিকলীগের উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটির নেতৃবৃন্ত উপস্থিত ছিলেন।

তালা (সাতক্ষীরা) (দিনাজপুর ২৪.কম) তালা উপজেলার প্রসাদপুর গ্রামের নিলা খাতুন (১৬) নামের এক স্কুল ছাত্রীকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পিতা এবং সৎ মা ব্যাপক শারীরিক নির্যাতন শেষে বিষপানে উস্কানি দিলে নিলা বিষপান করতে বাধ্য হয়। এঘটনায় বিষপানে নিহত নিলার মামা একই উপজেলার খলিলনগর গ্রামের মৃত. নওয়াব আলী গোলদারের পুত্র সাজ্জাত আলী গোলদার সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার এর নিকট একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
নিহত নিলার মামা সাজ্জাত আলী গোলদার জানান, তার ভাগ্নি মাজেদা বেগমের সাথে প্রসাদপুর গ্রামের মৃত. ইব্রাহীম ফকিরের পুত্র রফিকুল ইসলাম ফকিরের সাথে বিবাহ হয়। বিয়ের পর তাদের নিলা নামের একটি কন্যা সন্তানও হয়। এরমধ্যে রফিকুল মাদক সেবন, পরকীয়া প্রেম এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ায়, স্ত্রী মাজেদা সেখান থেকে চলে আসে এবং তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। কিন্তু তাদের কন্যা নিলাকে রফিকুল তার কাছে রেখে দেয়। এক পর্যায়ে রফিকুল অন্যত্র বিয়ে করার পর থেকে নিলার উপর নেমে আসে শারীরিক, মানষিক সহ নানাবিধ নির্যাতন। এমনকি রফিকুল প্রতিনিয়ত নিলাকে মারপিট করে আত্মহত্যার জন্য উস্কানি দিতো। পিতা হয়ে রফিকুল কয়েকবার বিষের বোতল নিয়ে কন্যা নিলাকে খাওয়ার জন্য প্ররোচনা যোগায়। সাজ্জাত গোলদার আরও জানান, প্রয়োজনীয় খাওয়া এবং পরিধেয় পোশাক না পাওয়ার পরও চলতি বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় নিলা খলিলনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে সাফল্যর সাথে পাশ করে। কিন্তু নিলা গোল্ডেন এ প্লাস না পাওয়ায় তাকে অধিকহারে মারপিট করা হতো এবং বিষপানে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচনা দেয়া হতো। গত ১৪ জুন সকালে রফিকুল এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী একই ভাবে নিলাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এসময় তারা একটি বিষের বোতল নিয়ে নিলাকে পান করার জন্য উস্কানি দিলে, নিলা সেই বিষ পান করে। পরে নিলার চাচাতো ভাই লিটন এবং দাউদ ফকির বিষয়টি জানতে পেরে মূমূর্ষাবস্থায় নিলাকে তালা হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে চিকিৎসাধিন অবস্থায় তার মৃত্য হয়। এঘটনায় তালা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয় এবং পুলিশ নিলার মৃত দেহ সাতক্ষীরা মর্গ থেকে ময়না তদন্ত করেন। এসব ঘটনায়, ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত সহ নিলার পাষন্ড পিতা এবং সৎ মা’র বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের নিকট ওই অভিযোগ দায়ের করেন।

তালা (সাতক্ষীরা) (দিনাজপুর ২৪.কম)জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তালা উপজেলার বারুইহাটি গ্রামের প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধা মা, তার পুত্র সহ ৩জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় মা ও তার পুত্র তালা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
তালা সদরের বারুইহাটি গ্রামের মৃত. জামাল উদ্দীন পাড়ের পুত্র হযরত আলী পাড় (৪৫) জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একই গ্রামের মৃত আক্কাজ আরী পাড়ের পুত্রদের সাথে তাদের বিরোধ চলে আসছিল। এনিয়ে উভয়ের মধ্যে ইতোপূর্বে সংঘাত সৃষ্টি হয়। গত ১৬ জুন বিকালে পূর্ব বিরোধের জের ধরে আক্কাজ পাড়ের পুত্র কেরামত ওরফে মুজাহিদ, শওকাত ও লিয়াকত এবং একই গ্রামের জসিম পাড়ের পুত্র মজিবর ও আজিবর আকষ্মিক লাঠি সোটা, লোহার রড এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় তারা হযরত আলীকে একা পেয়ে তার উপর হামলা করে এবং পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে। হামলাচলাকালে হযরতের চিৎকারে তার বৃদ্ধা মা আমেনা বেগম (৭০) এবং ভাগ্নে হাবিবুল্লাহ মোড়ল (৩৩) এগিয়ে আসলে প্রতিপক্ষ কেরামত গং তাদের উপরও হামলা চালায়। কেরামত গং এসময় হযরতের ঘরের মধ্য থেকে নগদ টাকা সহ বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী এগিয়েেেস গুরুতর আহতাবস্থায় হযরত আলী এবং তার বৃদ্ধা মা আমেনা বেগমকে উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে ভর্তি করে। এঘটনায় হযরত আলী বাদী হয়ে তালা থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন।