(দিনাজপুর২৪.কম) ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ তেলেঙ্গানার রাজধানী হায়দারাবাদে এক তরুণী পশু-চিকিৎসককে গণধর্ষণের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যায় অভিযুক্ত চারজনই পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) অভিযুক্ত চারজনের পুলিশের গুলিতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদ প্রকাশ করেছে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম।

টাইমস অব ইন্ডিয়া তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানায়। পুলিশ হেফাজত থেকে পালাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত এই চারজনের।

তদন্তের জন্য আসামিদের ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। সেখান থেকেই পালানোর চেষ্টা করে তারা। তারপরই পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন হায়দরাবাদের পুলিশ কমিনশনার।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারতের হায়দরাবাদে এক তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পুরো ভারত প্রতিবাদে উত্তাল। গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় আদালতে একটি প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ। সেখানে পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর পরও লরির কেবিনে নিয়ে গিয়ে ২৭ বছরের ওই তরুণীকে চার জনই একে একে ধর্ষণ করে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, মোহাম্মদ আলিয়াস আরিফ, জল্লু শিবা, জল্লু নবীন ও চেন্নাকেশাভুলু; এই চার অভিযুক্ত জোর করে টেনে হিঁচড়ে তাকে কেবিনের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোর করে নরম পানীয়ের মধ্যে হুইস্কি মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। তারপর মাথায় জোরে আঘাত করে গণধর্ষণ করে দেহ জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। গোটা ঘটনাটি ১ ঘণ্টার মধ্যে ঘটিয়েছে ওই চারজন।

আরও জানিয়েছে, তরুণীকে খুন করার পরো লরির কেবিনে নিয়ে এসে ফের গণধর্ষণ করে একে একে। কেবিনে তারা সিদ্ধান্ত নেয় একজন গাড়ি আনতে যাবে ও নির্যাতিতার জামাকাপড় আনবে। এরপর তারা গাড়ি করে সাধনগরের কাছে জাতীয় সড়কে চলে আসে অন্ধকার জায়গায় খোঁজার জন্য। সাধনগরের ছাটানপল্লির একটি কালভার্টের তলায় দেহটিকে কম্বলে জড়িয়ে পেট্রল ছড়িয়ে দেয়। তারপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তরুণীকে যাতে চিহ্ণিত করতে না পারে, তার জন্যই পুড়িয়ে দেওয়া হয়। -ডেস্ক