m-ahasan-kabir-finalএম আহসান কবির বার্তা সম্পাদক (দিনাজপুর২৪.কম) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের জাতীয় গৌরবের প্রতীক। জাতির যা কিছু গৌরবের, অহংকারের, যা কিছু শ্রেষ্ট অর্জণ তার প্রতিটিতেই রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসব স্পর্শ। বাংলাদেশ ও বাঙ্গালী জাতির শিক্ষা বিস্তার, রাজনীতি , অর্থনিতি, সামাজিক, কৃষ্টি-সাহিত্য ও র্সস্কৃতির সকল ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রেখেছে অপরিশুদ্ধ অবদান। বৃটিশ বিরোধি আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, শিক্ষা আন্দোলন ও মহান স্বাধীনতার সংগ্রাম সহ গন মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা অগ্রনী ভুমিকা পালন করেছে। এ দেশের কোন জাতীয় ঐতিহ্য – গৌরব বিনা আন্দোলনের প্রতিষ্টা পায় নি। জাতির স্বাধীকার, ভাষা , শিক্ষা, সংস্কৃতি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির বলিষ্ট অহংকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় রয়েছে সুদির্ঘ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।
ইংরেজদের অধীনে ভারতীয় উপমহাদেশ শাসিত হয়েছে প্রায় ২০০ বছর। বাংলার আবহাওয়া যেমন, উপমহাদেশের ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠায় অনুকুল ছিল। ঠিক তেমনই এ অঞ্চলের রাজনৈতিক প্রবাহই সময়ের ব্যবধানে উপমহাদেশ থেকে ইংরেজদের হঠাতেও বাধ্য করেছে। উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনে প্রায় ২০০ বছর পর গত শতাব্দি শুরুতেই সমস্ত ভারত বর্ষ ব্যাপি ইংরেজ তথা বৃটিশ বিরোধি রাজনৈতিদক পরিক্রমা ছিল বৈচিত্রময়।
ইংরেজ শাসিত ভারত বর্ষে অন্যতম প্রাদেশিক রাজধানী কলকাতা পূর্ব বাংলার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরনে ছিল অভ্যাস্থ। ইতিহাসের যার স্বাক্ষী হয়েছে “বঙ্গভঙ্গ” আন্দোলন। এ অঞ্চলের মানুষ যখনই উন্নয়ন, অগ্রগতি, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে স্বকীয়তা অর্জনের সচেষ্ট হয়েছে, তখনই প্রত্যক্ষ হয়েছে পূর্ব বাংলার প্রতি কলকাতার বিরুপ মনোভাব । ১৯০৫ সালে কলকাতার বিরুপ আচরনে অতিষ্ঠ হয়ে র্পূর্ব বাংলা ও আসামের অবহেলিত জনগন পৃথক ও সতন্ত্র প্রদেশের দাবিতে গড়ে তুলেছিল ঐতিহাসিক “বঙ্গভঙ্গ” আন্দোলন। আসাম  ও পূর্ব বাংলার জনগনের এই গনআন্দোলনকে প্রতিহত করার জন্য কলকাতা কেন্দ্রিক হিন্দু জমিদার, রাজনীতিবিদের “বঙ্গভঙ্গ রোদ ” আন্দোলনের মুখে ১৯১১ সালে ইংরেজ শাসিত ভারত সরকার পূর্ব বঙ্গ আসাম প্রদেশ বাতিল ঘোষনা করে। স্তব্ধ হয়ে যায় “বঙ্গভঙ্গ ” আন্দোলন। কিন্তু এ অঞ্চলের মানুষ ক্ষান্ত হয় নি বরং বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে।
“বঙ্গভঙ্গ ” আন্দোলন চলার সময় বাংলার (পূর্ববাংলা) মুসলমানরা ছিল শিক্ষাক্ষেত্রে অত্যন্ত পশ্চাৎপদ। কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যায়নরত মুসলমান ছাত্র সংখ্যা ছিল হতাশাজনক। ১৯১১ সালে ঢাকা কলেজেই মুসলামান ছাত্র সংখ্যা ছিল মাত্র ৭০ জন। এরই প্রেক্ষিতে তৎকালীন “বঙ্গভঙ্গ ” আন্দোলনের অন্যতম নেতা খাজা নবাব সলিমুল্লাহ ও সৈয়ব নওয়াব আলী চৌধুরি প্রথম উপলদ্ধি করলেন যে, “জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট , মুক্তি সেখানে অসম্ভব”  শিক্ষা ক্ষেত্রে মুসলমানদের  দ্রুত অগ্রগতি নিশ্চিত করা না গেলে মুসলিম সম্প্রাদয় অর্থাৎ এ অঞ্চলের সংখ্যা গরিষ্ট জনগন আরও দুর্বল ও পশ্চাৎপদ হয়ে পরবে এবং অন্যন্যা অগ্রসর সম্প্রদয়ের দ্বারা ক্রমবর্ধমান প্রবঞ্চনার স্বীকার হবে। এমতাবস্থায় ১৯১১ সালের ১৯ আগস্ট সোমবার ঢাকার কার্জন হলে ল্যান্সলর্ড হেয়ারের বিদায়ী সম্ভাষন এবং চার্লস বেইলি শুভাগমন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একটি মানপত্র দাবিনামায় খাজা নওয়াব সলিমুল্লাহ ও সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি তুলেন ।
“বঙ্গভঙ্গ” আন্দোলন পূর্ব বাংলার জনগনের মনে আশার আলো জ্বালিয়েছিল কারন এখানকার অধিবাসিদের অধিকাংশই মুসলমান। ঐতিহাসিকদের মতে “বঙ্গভঙ্গ” আন্দোলন রোধ করাটা ছিল পূর্ব বাংলার প্রতি মারাতœক অবিচার। এর ফলে এ অঞ্চলের উন্নয়ন অগ্রগতির সকল স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয়ে যায়। অধিকিন্তু উপমহাদেশের দায়িত্ব রত তদানীন্তন বৃটিশ গর্ভনর – জেনারেলরা ঠিকই অনুভব করেছিলেন যে পূর্ব বাংলার “বঙ্গভঙ্গ” আন্দোলন রোধ করেছে কলকাতা কেন্দ্রীক নীতিনির্ধারকরা সুতরাং এর পরিনতি অশুভ। তারা ভালভাবে জানতেন পূর্ব বাংলার এমনিই একটি রাজনৈতিক মঞ্চ যেখান থেকে জন্ম নিয়েছে বৃটিশ বিরোধি দুটো বৃহৎ শক্তিশালী রাজনৈতিক দল কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ। অতএব এ অঞ্চলের মানুষকে আর ক্ষেপিয়ে রাখা যাবে না “বঙ্গভঙ্গ” আন্দোলন মহল বিশেষের প্রবল বিরোধিতায় স্তমিত হলেও বিক্ষুদ্ধ জনগনের বিক্ষোভ প্রমশনের জন্যই তদানীন্তন বৃটিশ গর্ভনর জেনারেল এ অঞ্চলের জনগনের অন্যতম দাবি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হন। এবং তৎকালীন ইংরেজ শাসিত ভারত সরকার  পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ট জনগনের সতন্ত্র প্রদেশের বদলে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়ার পরিকল্পনা গ্রহন করে।
এতদা সত্বেও প্রবল প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি দাড়াতে হয়েছিল এ অঞ্চলের মানুষকে এবং ক্রমাগত বিরোধিতার মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দ্যেগকে সফল করতে হয়েছিল। ১৯১২ সালে ১৭ জানুয়ারি তৎকালীন ভারত সাম্রাজ্যে ভাইসরয় লর্ড হান্ড্রির্জের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন “বঙ্গভঙ্গ” আন্দোলনের নেতা জনাব খাজা নওয়াব সলিমুল্লাহ, সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী ও একে ফজলুল হক সহ বেশ কয়েকজন পূর্ব বাংলার জাতীয় নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ ভাইসরয় কে একটি স্বারকলিপি প্রদান করে পূর্ব বাংলা জনগনের অবস্থার উন্নয়নের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তিনি (লর্ড হান্ড্রিজ) নেতৃবৃন্দের আবেদনে সারা দিয়ে বলেছিলেন যে, “ভারত সরকার ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা বিবেচনা করছে” এবং ১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি ইংরেজ শাসিত ভারত সম্রাজ্যের ভাইসরয়  লর্ড হান্ড্রিজ ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষনা দেন। ১৯১২ সালের ২ ফ্রেবুয়ারী সরকারি ইসতেহারে ভাইসরয় লর্ড হান্ড্রিজ এর ঘোষনা প্রকাশিত হলে কলকাতা কেন্দ্রিক উল্লেখিত মহল এর প্রতিবাদ জানায়। “স্যার রাস বিহারী ঘোষ” এর নেতৃত্বে কলকাতার একটি প্রতিনিধি দল ভাইসরয় লর্ড হান্ড্রিজ এর সাথে দেখা করে জানালেন যে, ঢাকায় পৃথক একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অর্থ হল আন্ত বিভক্তি সৃষ্টি করা। লর্ড হান্ড্রিজ রাস বিহারি ঘোষের অভিযোগ প্রত্যাক্ষন করে ২৬ ফেব্রুয়ারী সরকার কর্তৃক মি: নাথনকে আহ্বায়ক ও মওলানা মো: আলী কে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি গঠন করে প্রস্তাবিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প প্রনয়নের জন্য দ্বায়িত্ব প্রদান করেন।
পূর্ব বাংলার উন্নয়ন, অগ্রগতি, শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রনীত সেই নাথক কমিটির রিপোর্টই ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ভিত্তি। ১৯১২ সালের ২৭ অক্টোবর নাথন কমিটির রির্পোট প্রদানের পর ১৯১৩ সালে প্রথম মহাযুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ায় বৃটিশ শাসিত ভারতীয় সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে টালবাহানা শুরু করে। “বঙ্গভঙ্গ” আন্দোলনকে নস্যাৎ করে পূর্ব বাংলা- আসাম প্রদেশ বাতিল করে, আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে বিরোধিতা ও কর্তৃপক্ষের অবহেলা এসব হতাশা ক্লিষ্ট করুন পরিস্থিতিতে শয্যশয়ী হয়ে ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারী মাত্র ৪৪ বছর বয়সে পূর্ব বাংলার খাটি দেশপ্রেমিক এ অঞ্চলের জনগনের প্রকৃত বন্ধু , দেশ ও জনগনের উন্নতি সফলতার সাহসী নিঃস্বার্থ যোদ্ধা “জনাব খাজা নওয়াব সলিমুল্লাহ” ইন্তেকাল করেন। খাজা নওয়াব সলিমুল্লাহ’র অকাল মৃত্যুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকে অনিশ্চয়তার পথে নামিয়ে দেয়। সে অনিশ্চিত যাত্রার অবসান ঘটাতে ১৯১৭ সালে পূর্ব বাংলার জনগন ইনপেরিয়াল লেজিস লেটিভ কাউন্সিলের সদস্য জনাব নওয়াব আলীর নেতৃত্বে পুনরায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলন গড়ে তুলেন। ১৯১৭ সালে মার্চ মাসে নওয়াব আলী চৌধুরী কলকাতার বিধান সভায় দাবি উত্থাপন করেন যে, অবিলম্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল গ্রহন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার তারিখ ঘোষনা করা হোক। ঐ সভায় ভাইসরয় লর্ড হার্ন্ড্রিজ তার সরকারের  অনুগ্রহের কথা জানান। এবং  এ প্রসংগে ১৯১৭ সালের ২৬ নভেম্বর এক সরকারি ইসতেহারে বাংলার গর্ভনর ও জনগনকে এই বলে আশ্বস্থ করেন যে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার বিধি ও ব্যাবস্থাপনার সম্পর্কে গ্রহনযোগ্য পরামর্শ পাওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। অতঃপর ১৯২০ সালে ৬ই মে কেন্দ্রিয় পার্লামেন্টে (ইংল্যান্ড) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিল পাশ হয়। ইংরেজ শাসিত ভারত সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ব্যায় নির্বাহের জন্য সর্বমোট ৭৪ লাখ রুপির তহবিল গঠন করে ১৯২১ সালের ১লা জুলাই তৎকালীন বাংলার অণ্যতম বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর আনুষ্ঠানিকতার শুরু হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র/ছাত্রীদের শিক্ষার উন্নয়ন ও বহুমুখি দাবির প্রেক্ষিতে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ “ডাকসু”। এ ছাত্র সংসদের প্রথম সহ সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন “জনাব মমতাজ উদ্দিন আহমেদ” ও “যোগেন্দ্র নাথ সেনগুপ্ত”। “ডাকসু” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর একটি গুরুত্বপূর্ন অংশ। দেশের মিনি পার্লামেন্ট হিসাবে খ্যাত জাতির জীবনে এই “ডাকসু” খুবই গুরুত্বপূর্ন ও তাৎপর্যবাহি। ছাত্র রাজনীতি ও ছাত্র/ছাত্রীদের বুদ্ধবৃদ্ধি এবং সংস্কৃতি চর্চার সহায়ক এই “ডাকসু ” তার গৌরব ও অহংকারের সৌন্দর্য্যকে সবসময় জাতীয় পতাকার মত মর্যাদাবান ও আকর্ষনীয় করে রেখেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর “ডাকসু” দেশের আপামর মানুষের আশা প্রত্যাশা, দেশের স্বকিয়তা ও স্বাতন্ত্রতা এবং ভাবমুর্তির প্রতি ইতবাচক ভুমিকা রেখে যেভাবে ইতিহাসে সমৃদ্ধ করে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্তিত্ব ঘোষনায় অনুপ্রানিত করেছে তা অবিশ্বরনীয়। যার বড় প্রমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এর মধ্যে দিয়ে সারা বিশ্বে ২১ শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা হিসাবে স্বীকৃতি করন । জাতির অধিকার আদায়ের ও অগ্রসরমান চিন্তাচেতনা বিকাশের সুতিকাগার হিসাবে সুপরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অতীতে যেমন সকল সীমাবদ্ধতা ও সংক্রীনতার উর্দ্ধে উঠে জাতির জন্য ও জাতির প্রয়োজনে অপরিশুদ্ধ ভুমিকা রেখেছে তেমনি ভবিষ্যৎ যেন উন্নত শিক্ষা বিস্তার , রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রগতি ও সাহিত্য ক্লৃষ্টি ও সংস্কৃতি সকল ক্ষেত্রে জাতির জন্য গ্রহনযোগ্য দিক নিদের্শক পরিপ্রেক্ষিত নির্মানে হউক সদা সচেষ্ট আর সেটাই আজও আমাদের সকলের কাম্য।

লেখক, সাংবাদিক ও কলামিষ্ট/ মোবাইল-০১৭২১৪৬১৩১৪