(দিনাজপুর২৪.কম) ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ভোট গ্রহণ আগামী জানুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে বিদ্যমান ভোটার তালিকাই ব্যবহার করা হবে বলে জানা গেছে। আর এ নির্বাচনে দুই সিটিতেই ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ব্যবহার করা হবে।

জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহের প্রথমদিকে তফসিল ঘোষণা করা হবে। যদিও আগামী ১১ ডিসেম্বর আহবান করা কমিশন সভায় দুই সিটির তফসিলের বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত করা হয়নি। ১১ ডিসেম্বর কমিশন সভার পরবর্তী সভায় দুই সিটির তফসিল চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানা যায় সূত্রের বরাত।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ৫৩তম সভার কার্যবিবরণীতে এসব সিদ্ধান্ত উঠে এসেছে। তবে কমিশনের ওই সভায় ভোটের সময়সূচি ঠিক করা হয়নি। তবে কমিশন সভায় ভোটগ্রহণ নিয়ে ১২টি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের শেষে দুই সিটির তফসিল ও জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভোটগ্রহণ হবে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল একসঙ্গে ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয়। নির্বাচনের পর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা হয় ওই বছরের ১৪ মে, দক্ষিণ সিটিতে ১৭ মে ও চট্টগ্রাম সিটিতে প্রথম সভা হয় একই বছরের ৬ আগস্ট।

এই হিসাবে ঢাকা উত্তরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ১৩ মে, আর দক্ষিণে একই বছরের ১৬ মে। এছাড়া চট্টগ্রাম সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ৫ আগস্ট। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন ২০০৯ অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

আগামী বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু হবে। তবে চট্টগ্রাম সিটির ভোট নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ঢাকা উত্তর সিটিতে ভোটার সংখ্যা ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ৬২১ জন। সাধারণ ওয়ার্ড ৫৪টি এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১৮টি।

সম্ভাব্য ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ৩৪৯টি এবং ভোটকক্ষ ৭ হাজার ৫১৬টি। আর দক্ষিণ সিটিতে ভোটার রয়েছেন ২৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৮ জন। সাধারণ ওয়ার্ড ৭৫টি এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ড ২৫টি। সম্ভাব্য ভোট কেন্দ্র ১ হাজার ১২৪ এবং ভোটকক্ষ ৫ হাজার ৯৯৮টা। -ডেস্ক