মো. নুরুন্নবী বাবু (দিনাজপুর২৪.কম) দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার পৌরশহরের চকচকা গ্রামের মোঃ সহিদ এর কন্যা কলেজ পড়–য়া ছাত্রী মোছাঃ শাম্মী আক্তার (২০) কে একই গ্রামের সফিকুল ইসলামের পুত্র মোঃ মেহেদী হাসান (৩০) ঢাকায় চাকুরী দেওয়ার নাম করে গত কয়েক মাস আগে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে একটি ঘরে রেখে মডেলিং করার বিভিন্ন পোশাক পরিয়ে দিয়ে উলঙ্গ করে ধর্ষনের চেষ্টা করেন এবং তার নগ্ন ছবি মোবাইলে ধারণ করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেন। ইন্টারনেটে সহিদ এর কন্যার নগ্ন ছবি তার পরিবার দেখতে পেয়ে ফুলবাড়ী থানায় বিষয়টি গত ৮ই জুলাই অবগত করেন এবং গ্রামের পৌরকাউন্সিলর আতাউর রহমানকে অবগত করেন। ফুলবাড়ী থানার পুলিশ ঘটনাটি জানার পর শফিকুল ইসলাম এর পুত্র মোঃ মেহেদী হাসান কে তার বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে বিষয়টি যাতে অনেকদূর পর্যন্ত না গড়ায় সে জন্য মেয়ে পক্ষ কে রাজি করে ঐ দিন রাত সাড়ে ১০টায় উভয়ের মধ্যে বিষয়টি বিপুল টাকার বিনিময়ে রফাদফা করে থানার হাজত থেকে রাত সাড়ে ১২ টায় শফিকুল ইসলাম এর পুত্র মোঃ মেহেদী হাসান কে ছেড়ে নিয়ে যান তার পিতা। দুপুরে উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ী পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আতাউর রহমান ও ৯নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সভাপতি তাহাজুল ইসলাম। এ ব্যাপারে গতকাল রবিবার মোঃ সহিদ এর কন্যা মোছাঃ শাম্মী আক্তার এর ০১৮৪০৫১০৮৩২ নং মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ঐ ঘটনার বিষয়ে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাক আহম্মেদ এর সাথে তার সরকারি মোবাইল ফোনে গতকাল রবিবার দুপুর ১টায় যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান মেয়ে পক্ষ আপোষের বিষয়টি মেনে নেননি বলে জানান। -ডেস্ক