(দিনাজপুর২৪.কম) ক্ষুদ্রঋণের কারণে দেশে দারিদ্র্যের হার কমেছে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদের অবদান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি ভবনে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) আয়োজিত ‘ঋণ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
এসডিএফের চেয়ারম্যান এম আই চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ইউনুসুর রহমান এবং বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান। এসডিএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাখাওয়াত হোসেন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনে হতদরিদ্রদের প্রথম ক্ষুদ্রঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে গ্রামীণ ব্যাংক। ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্মানিত ব্যক্তি। তাঁকে সম্মান দিতে হবে। ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদও একজন সম্মানিত ব্যক্তি।
দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্রঋণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, এ কথা স্বীকার করে অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক ও ব্র্যাকের পরে অনেক বেসরকারি সংস্থা ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে এসেছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে তারা ঋণ দিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের এই কার্যক্রমের ফলে দেশে দারিদ্র্যের হার যথেষ্ট হ্রাস পেয়েছে।
দারিদ্র্য বিমোচনে সরকার বহু কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং এটাকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশে ২০২৪ সালে কোনো হতদরিদ্র থাকবে না, আর ২০৩০ সালে থাকবে না কোনো দরিদ্র লোক।  -ডেস্ক