(দিনাজপুর২৪.কম) তামিম ইকবালের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ১৫ বছরের। দেশের হয়ে অনেক অর্জন তার, অনেকগুলো রেকর্ডের অংশীদারও তিনি। কিন্তু প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ছিল না কোনও ট্রিপল সেঞ্চুরি। এই নিয়ে কোনও আক্ষেপ না থাকলেও রকিবুলের ইনিংসের কথা তার প্রায়ই মনে হতো। ভাবতেন কীভাবে এত বল খেল ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছেন তার বন্ধু!

তবে ওই ভাবনা থেকেই যে ট্রিপল সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন, ব্যাপারটি এমন নয়। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচের আগে যেভাবে খেলতে চেয়েছিলেন, সেভাবে খেলতে পেরেছেন, এটাই তৃপ্তি দিচ্ছে তামিমকে।

তারপরও দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসটিকে হৃদয়ের সর্বোচ্চ স্থানেই রাখবেন, আজ সংবাদমাধ্যমকে জানালেন দেশসেরা ওপেনার।

সেঞ্চুরির পর তামিম ইকবাল হালকা ব্যাট তুলেছিলেন। ডাবল সেঞ্চুরির পরও সেই একই উদযাপন। ট্রিপল সেঞ্চুরির পর কি কিছু করবেন তামিম?

সেই আশায় ক্যামেরার লেন্স তাক করা ছিল তার দিকে। কিন্তু শুভাগত হোমের বলে এক রান নিয়ে ট্রিপল সেঞ্চুরি করার পর তামিম কোনো উদযাপনই করলেন না। সতীর্থদের অভিবাদন জানাতে ওই একবার হাল্কা ব্যাট তুলেছেন। ক্যারিয়ারের প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের সব থেকে বড় ইনিংস উপহার দিলেন আজ। অথচ তার উদযাপন একেবারেই সাদামাটা।

উদযাপনে বাড়তি কোনো চাকচিক্য না থাকলেও তামিম নিজের অর্জনে অনেক খুশি, ‘অবশ্যই এটা দারুণ অনুভূতি। তিনশ করার স্বপ্ন তো অবশ্যই থাকে। এ ম্যাচে হয়ে যাবে সেটা কখনো ভাবিনি।’

এর আগে একাধিক সেঞ্চুরি করেছেন তামিম। লর্ডসে তার সেঞ্চুরি রয়েছে। সেঞ্চুরি বাদেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অনেক ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টিতে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড তামিমের দখলে। কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে পাওয়া ট্রিপল সেঞ্চুরিকে তামিম দেখছেন বড় করে।

‘এটা স্পেশাল ইনিংস। তিনশ করা যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কঠিন। আবার যেকোনো লেভেলেই এটা করা কঠিন। এটা যদি সহজ হতো তাহলে প্রত্যেক মাসে একজন করে তিনশ করত। এটা খুব স্পেশাল। আমার হৃদয়ে খুব বড় জায়গায় এটা থাকবে।’– যোগ করেন তামিম। -ডেস্ক