1. dinajpur24@gmail.com : admin :
  2. dinajpur24@gmail.com : akashpcs :
  3. self@unliwalk.biz : brandymcguinness :
  4. ChristineTrent91@basic.intained.com : christinetrent4 :
  5. Dinah_Pirkle28@lovemail.top : dinahpirkle35 :
  6. cruz.sill.u.s.t.ra.t.eo91.811.4@gmail.com : howardb00686322 :
  7. azegovvasudev@mail.ru : latricebohr8 :
  8. kenmacdonald@hidebox.org : moset2566069 :
  9. news@dinajpur24.com : nalam :
  10. NonaShenton@miss.kellergy.com : nonashenton3144 :
  11. vaughnfrodsham2412@456.dns-cloud.net : reneseward95 :
  12. Sonya.Hite@g.dietingadvise.club : sonya48q5311114 :
  13. jcsuave@yahoo.com : vaniabarkley :
সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ০১:০৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নতুন রুপে আসছে দিনাজপুর২৪.কম! ২০১০ সাল থেকে উত্তরবঙ্গের পুরনো নিউজ পোর্টালটির জন্য দেশব্যাপী সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা প্রয়োজন। সারাদেশে সংবাদকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা এখনই প্রয়োজনীয় জীবন বৃত্তান্ত সহ সিভি dinajpur24@gmail.com এ ইমেইলে পাঠান।

ট্রাম্পের টুইটে কি আবারো বানান ভুল!

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০১৭
  • ০ বার পঠিত

(দিনাজপুর২৪.কম) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের টুইটে ব্যবহৃত একটি শব্দ নিয়ে তোলপাড় চলছে মার্কিন মুলুকে। কেউ ঠাহর করতে পারছেন না তিনি ইংরেজিতে ওই শব্দটি দিয়ে কি বুঝাতে চেয়েছেন। অনলাইন ডিকশনারিগুলোতেও এর কোনো অস্তিত্ব নেই। ফলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগের মতোই হয়তো ট্রাম্প ওই শব্দটির বানান ভুল লিখেছেন। হয়তো পরের দিন ঘুম থেকে উঠে তা ঠিক করবেন। এ নিয়ে অনলাইন সিএনএন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সিএনএনের প্রধান সম্পাদক ক্রিস সিলিজা’র লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ৬ মিনিটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প টুইটে লিখেছেন-`Despite the negative press covfefe’। আবার ভোর ৬টায় ওই টুইট মুছে ফেলেন তিনি। এর অল্প পরেই আবার টুইট করেন। তাতে লিখেছেন- ‘Who can fogure out the true meaning of “covfefe”??? Enjoy!’ এ দুটি বাক্যে ব্যবহৃত covfefe শব্দটিই সেই শব্দ। ক্রিস লিখেছেন, ট্রাম্প সম্ভবত ইংরেজিতে কাভারেজ শব্দটি লিখতে গিয়েছিলেন। এক্ষেত্রে বানান ভুল করেছেন, যেমনটি তিনি মাঝেমাঝেই করে থাকেন। এভাবে বানানা ভুল লিখে তিনি হয়তো গভীর ঘুমের রাজ্যে। সকালে ঘুম থেকে না উঠা পর্যন্ত এই ভুল সংশোধন হবে না।  তিনি আরো লিখেছেন, ট্রাম্প যা বলতে চেয়েছেন তা বুঝার জন্য সময় খরচ করার মানে হলো সময়ের অপচয়। বরং তার চেয়ে একটি পিছনে ফেরা যাক। দেখা যাক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কোন নাজুক পরিস্থিতিতে রাত ১২টা ৬ মিনিটে এমন টুইট করেছেন। আমরা এখন পর্যন্ত গভীরভাবে নিঃসঙ্গ প্রেসিডেন্টকে পেয়েছি, যিনি প্রচুর সময় ব্যয় করেন, বিশেষ করে রাতে ও খুব ভোরে টিভি দেখে ও টুইট করে। এমন কেউ নেই যে বা যিনি ট্রাম্পকে এক্ষেত্রে ‘না’ বলতে পারেন। অথবা ন্যূনতম এমন কেউ নেই যার কথা তিনি (ট্রাম্প) শুনবেন। এটাই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এখন চারদিকে জল্পনা তার শাখা প্রশাখা মেলেছে। তা হলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার স্টাফদের রদবদলের দ্বারপ্রান্তে। মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন যোগাযোগ বিষয়ক পরিচালক মাইক ডুবকে। তবে ট্রাম্প যতই স্টাফ রদবদল করেন না কেন পৃথিবীতে এমন কোন স্টাফ বিদ্যমান নেই যার কথা ট্রাম্প শুনবেন এবং তা হৃদয়ঙ্গম করবেন। মঙ্গলবার রাতে সিএনএনের এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিক গ্লোরিয়া বর্গার বলেছেন, একজন জিম বেকার চান না ডনাল্ড ট্রাম্প। উল্লেখ্য, সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ও জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ দু’জনের আমলেই চিফ অব স্টাফ ছিলেন ওই জিম বেকার। কিংবদন্তি এই ব্যক্তির কাছ থেকে পরামর্শ নিতেন ওই দু’জন প্রেসিডেন্ট। এ বিষয়ে গ্লোরিয়া বর্গার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উদ্দেশে বলেন, তিনি নিজেই নিজের জিম বেকার। তিনি নিজেই নিজের স্ট্রাটেজিস্ট।
গ্লোরিয়া বর্গারের ওই মতকে শতভাগ ঠিক বলে মন্তব্য করেছেন ক্রিস সিলিজা। তিনি আরো লিখেছেন, ট্রাম্প মনে করেন না যে, তার কারো পরামর্শ নেয়া উচিত। তাই স্টাফের নাম পরিবর্তন করলেই তার সবকিছু পাল্টে যাবে এর কোন কারণ নেই। টুইটারে তার অব্যাহত উপস্থিতি এর উৎকৃষ্ঠ উদাহরণ। এক্ষেত্রে বার বার রিপাবলিকান দলের কর্মকর্তারা বিনীতভাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে কম করে টুইটারে টুইট করার অনুরোধ করেছেন।
এখন কথা হলো covfefe নিয়ে। এটা দেখে যা প্রমাণ হয় তা হলো, নিজের অবস্থান ট্রাম্প পরিবর্তন করতে হয়তো ইচ্ছুক নন অথবা তার সেই সক্ষমতা নেই। বর্তমানে তার বয়স ৭০ বছর। ১৪ই জুন তা ৭১ হবে। তার জীবনে অনেক সফলতা আছে। তিনি হয়তো মনে করেন, সব প্রতিবন্ধকতা, প্রচলিত রাজনৈতিক রীতির বাইরে তিনি যেভাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন তাতে ভোটারদের একরকম হ্যাঁবোধক সমর্থন আছে। এবং তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি তার ভোটারদের ও দেশের ভাবমূর্তি অনুধাবন করতে পারেন। এ জন্যই হয়তো তিনি উপদেষ্টাদের কোন উপদেশের তোয়াক্কা করেন না। তিনি রাত ১০টায় ফোন রেখে দেন। আর তোলেন না। প্রথমে, সবশেষে এবং সব সময় ট্রাম্প তার নিজের ওপরই আস্থা রাখেন। তাই হোয়াইট হাউজের স্টাফের পরিবর্তন হবে। তারা আসবেন, যাবেন। কিন্তু তাদের কেউ হয়তো তাকে পাল্টাতে পারবেন না।
এর অর্থ হলো- হয়তো আরো covfefe এর অর্থ খোঁজা হবে। -ডেস্ক

নিউজট শেয়ার করুন..

এই ক্যাটাগরির আরো খবর