দিনাজপুর২৪.কম) টিআইবির রিপোর্ট নিয়ে দ্বিমত আছে, কিন্তু তথ্য-উপাত্ত না দিলে বিশ্বাসযোগ্য হয় না।তাই টিআই এর লোকাল শাখার কাছে আমরা বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাই।

মঙ্গলবার(২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে দেয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

তিনি বলেন, টিআই এর লোকাল শাখার কাছে আমরা ব্যাখ্যা চাই যে, কিভাবে এবং কী কী কারণে দুর্নীতি বেড়েছে। ফ্যাক্টস অ্যান্ড ফিগার না দিলে সেই রিপোর্ট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। উই ওয়ান্ট টু স্পেসিফিকেশন। মুখের কথায় নম্বর করা যায় না।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদকের স্বাধীনতা খর্ব করার মতো কোনও আইন সংসদে হয়নি। টিআই আমাদের প্রতিপক্ষ নয়, আমরাও টিআই এর প্রতিপক্ষ নই।

সাংবাদিকদের অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ইকবাল মাহমুদ বলেন, সারা বিশ্বে অর্থপাচারের বিষয় আছে। আমরা দুর্নীতি বন্ধ করতে পারবো না, কমাতে পারবো।

উল্লেখ্য- আজ মঙ্গলবার (২৯জানুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ মাইডাস ভবনে নিজেদের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বজুড়ে দুর্নীতির ধারণাসূচক (সিপিআই) ২০১৮-এর প্রতিবেদন প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। ১০০ পয়েন্টের মধ্যে ২৬ স্কোর পেয়ে আগের বছরের (২০১৭) তুলনায় ৪ ধাপ অবনতি হয়েছে। অর্থাৎ ২০১৭ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে।  -ডেস্ক