আকতার হোসেন বকুল (দিনাজপুর২৪.কম) গুজব বা রুপকথার মত কাহিনী হলেও সত্য জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মোলান রশিদপুর এলাকায় ছাগীর ন্যায় পাঠাও দুধ দেয়। পাঠার অন্ডকোষের পাশাপাশি ২’টা বাট আছে আর তা থেকেই প্রতিদিন হাফ লিটার দুধ সংগ্রহ করে পাঠা মালিক। আজব এ ঘটনা দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নারী-পুরুষ দলবেঁেধ আসলেও এখন আসছে দাওয়াই হিসাবে পাঠার একটু দুধ নেওয়ার জন্য। প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা বলছেন, হরমোন জনিত কারনে এরকম হতে পারে।

উপজেলার মোলান রশিদপুর গ্রামের শংশধর সরকারে ছেলে লাল বাবুর পালিত পঙ্খীরাজ নামের একটি পাঠা নিয়মিত দুধ দেয়। লালবাবু প্রায় ২০ বছর আগে সহোদর বড় ভাইয়ের ৫টি পাঠা নিয়ে লালন-পালন শুরু করেন। প্রথমে এ পাঠা দ্বারা অন্য মানুষের ছাগীর প্রজননের জন্য পালন শুরু করলেও পরে সে সনাতন ধর্মের কালীপুজায় পাঠার চাহিদা ভেবেও তার খামারে এর সংখ্যা বৃদ্ধি করে। তিঁনি আরো বলেন, ৩ বছর বয়সে পঙ্খীরাজ পাঠাটি দুধ দিতে শুরু করে এ দুধ আমার পরিবারের সবাই খাই। এলাকার ৭৫ বছরের বৃদ্ধ আঃ খালেক মোল্লা বলেন, পাঠাও যে দুধ দেয় আজব এ ঘটনা জানাজানি হলে স্বচক্ষে দেখার জন্য অনেক দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন শত শত লোক লালবাবুর খামারে আসে। তিঁনি আরো বলেন, এখন সবাই আসে তাদের বহুদিনের জটিল রোগ থেকে আরোগ্য লাভের আশায় একটু দুধও নিতে। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থেকে আসা বাবু মিয়া বলেন, আমার বাড়ির পাশের্^র এক বয়স্ক লোকের দীর্ঘ দিন যাবৎ হাঁফানী রোগ ভালো হত না লাল বাবুর পাঠার দুধ খেয়ে এখন সে অনেক ভালো আছে, পাঠার যে দুধ হয় দেখার জন্যই এসেছি। উপজেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা আঃ হাকিম বলেন, হরমোনের কমবেশীর কারনে এমনটা হতে পারে।