(দিনাজপুর২৪.কম) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন নয় মাসের অনেক ইতিহাস এখনও অজানা রয়ে গেছে। আমাদের যেমন সফলতা আছে, আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছি, তেমনি আমাদের কিছু ব্যর্থতাও আছে। সেটা হচ্ছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস সময়ে কার কী ভূমিকা ছিল, কে কে ষড়যন্ত্র করেছে তা আমরা তুলে ধরতে পারি নাই। এখানে আমরা ও আমাদের সরকার চরম ব্যর্থ।বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত অনলাইন ভিত্তিক সংগঠন কে-ফোর্সের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন – দৈনিক আজকের বাংলার প্রকাশনা সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ বাবলু, জেনারেল খালেদ মোশাররফের কন্যা মাহজাবিন খালেদ বেবি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সহ-সভাপতি কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি, ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আশিকুর রহমান লাভলু, আয়োজক সংগঠন কে-ফোর্সের মেন্টর নাজমুস সাকিব, মেন্টর তাসরিক মোহাম্মদ সিকদার, চিফ এডমিন শামসুদ্দোহা সরকার সোহাগ, সহ চিফ এডমিন রফিকুল হাসান শান্ত। হামজা রহমান অন্তরে পরিচালানায় অনুষ্ঠনে সারাদেশ থেকে আগত কে-ফোর্সের শতাধিক সদস্য অংশ নেন।মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পর্যালোচনা করেন তাহলে দেখা যাবে, প্রত্যেকটা যুদ্ধে সেক্টর কমান্ডাররা অংশগ্রহণ করেছিলেন একমাত্র জেড ফোর্সের মেজর জিয়াউর রহমান ছাড়া। তিনি ভারতে বসে থেকে পাকিস্তানের এজেন্ট হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন। তিনি সেখানে বসে ভুল সিদ্ধান্ত দিয়ে প্রায় একশ জন মুক্তিযোদ্ধাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন।তিনি আওর বলেন, শুধু তাই নয়, যুদ্ধকালীন সময়ে জিয়াউর রহমান কোথায় যুদ্ধ করেছেন, কীভাবে করেছেন তার কোনো কথা উল্লেখ নাই, শুধু কিছু মিথ্যাচার ছাড়া। জিয়াউর রহমান শুধু মিথ্যাচার করে ইতিহাসের অংশ হয়েছেন। তাই সে সময়ের ইতিহাস সবার সামনে আসা সময়ের ব্যাপার মাত্র।-ডেস্ক