হাফিজুর রহমান হাবিব (দিনাজপুর২৪.কম) কেক কেটে ও কালচারাল প্রোগ্রামের আয়োজনের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করলো পঞ্চগড়ের ‘জাগ্রত তেঁতুলিয়া’ নামের তারুণ্যদীপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন। শনিবার বিকেল ৫টায় জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর পিকনিক কর্ণারে অনুষ্ঠানের শুরুতে কেক কাটার মধ্যে শুরু হয় বর্ষপুর্তী উদযাপন।

এতে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান ডাবলু, নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুল হক, বিএনপির আহবায়ক শাহাদৎ হোসেন রঞ্জু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব আলী, শিশুস্বর্গের পরিচালক কবীর আকন্দ প্রমুখ। এছাড়াও জাগ্রত তেঁতুলিয়ার আতিকুজ্জামান শাকিল, ফেরদৌস আলম লিটন, ডিজার হোসেন বাদশা, মোবারক হোসেন, এসকে দোয়েল, আশরাফুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান হাবিব, হুমায়ুন কবির, আতাউর রহমান মানিক, আহসান হাবিব, রবিউল ইসলাম রতন, আনোয়ার হোসেন, আব্দুর রহমান, সাবিহা ফেরদৌস উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নাট্য সংগঠন ভূমিজের পরিচালক সরকার হায়দার।

২০১৮ সালে ৫ সেপ্টেম্বর উপজেলার এক ঝাঁক উচ্ছল তরুণদের নিয়ে সিনিয়র সাংবাদিক আতাউর রহমান কাবুলের নেতৃত্বে সংগঠিত হয় জাগ্রত তেঁতুলিয়ার। গঠনের পর হতেই সব ধরণের অন্যায়, অনিয়ম রুখতে ও ভালো ভালো কাজ করে সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে জন্ম হয় সংগঠনটির।

সংগঠনটি ইতিমধ্যে উপজেলার সাত ইউনিয়নে বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষে স্থাপন করে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প। এই ক্যাম্পেইনে বিনামুল্যে স্বাস্থ্য সেবা পায় হাজারে মানুষ। চলতি মাসেই আরেকটি ফ্রি হেলথ ক্যাম্পেইন করার ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনটির প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোক্তা আতাউর রহমান কাবুল। তিনি দেশের শীর্ষ দৈনিক কালের কন্ঠের স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানান, অনলাইনেও তেঁতুলিয়ার অসহায়-দরিদ্র গোষ্ঠীর মধ্যে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবার আয়োজন করতে যাচ্ছে জাগ্রত তেঁতুলিয়া।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান ডাবলু জাগ্রত তেঁতুলিয়ার উল্লেখযোগ্য সামাজিক কর্মকান্ডের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, সংগঠনটি জন্মলগ্ন হতেই সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। আগামীতেও যাতে আরো ভালো ভালো কাজের উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে, সে জন্য প্রয়োজনে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন সহযোগীতা করবে।

পরে সন্ধ্যা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন দেশ বরেণ্য নজরুল শিল্পী তজিরুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, সরকার হায়দার ও শিখাসহ স্থানীয় শিল্পীবৃন্দ।