জুয়েল শাহ জলঢাকা (দিনাজপুর২৪.কম) নীলফামারীর জলঢাকা ধর্মপাল ইউনিয়নের অর্ধশত বছরের প্রাচীন ব্রীজটি ভেঙ্গে গিয়ে মৃত্যু কুপে পরিণত হয়েছে। ভারী যান চলাচল এখন নাগালের বাইরে। ব্রীজটি ভাঙ্গা থাকায় বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতাযাতের ব্যবস্থা না থাকায় চরম হুমকির সম্মখীন হয়ে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে ভাঙ্গা ব্রীজের কর্ণার দিয়ে ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে। প্রায় ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ এখন নিত্যদিনের। এলাকার মানুষের অভিযোগের আঙ্গুল নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। তাদের গাফিলতির কারণে মেরামত ও সংস্কার না করায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ওই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য নেছার উদ্দিন বলেন, দেশ স্বাধীনের আগে এই ব্রীজ নির্মাণ করেছিল তৎকালীণ সরকার। তখন এখানে ছিল একটি খাল আর এখন এখানে তিস্তা সেচ ক্যানেল করেছে। ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শামসুল বলেন, কিছুদিন আগে স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফার নির্দেশে উপজেলা প্রকৌশলী অফিস থেকে ব্রীজের কাজের জন্য মাটিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন। পরে নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ড জানতে পেরে এই ব্রীজটি তাদের দাবি করে কাজ বন্ধ করে দেন। তাই ব্রীজটির কাজ ও পুনঃনির্মাণ  না হওয়ায় সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুকুমার বলেন,শুনেছি ব্রীজটি নির্মানের জন্য বাজেট বরাদ্ধ হয়েছে। কিন্তু কাজের কোন খবর নাই। অটো চালক রাশেদ বলেন, ব্রীজটি বাতিল ও পরিত্তক্ত  ঘোষনা  না করে একটি  চলাচলের জন্য বিকল্প ব্যবস্থাও করেনা কর্তৃপক্ষ। ধর্মপাল ইউপি চেয়ারম্যান মো. জামিনুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমাদের সৌভাগ্য আমরা এমপি সাহেবের এলাকার মানুষ তিনিও গড় ধর্মপাল ইউনিয়নের বাসিন্দা কিন্তু দুঃভাগ্য সুষ্ঠ কোন তদারকি না থাকায় ঝুকিপূর্ণ ব্রীজটি এখন মরণ ফাঁদ!