-প্রতিকি ছবি

(দিনাজপুর২৪.কম) ছেলে বাড়ি না থাকার সুযোগে পুত্রবধূকে ধর্ষণ করেন শ্বশুর। এ কথা জানাজানি হলেও ভুক্তভোগীর স্বামী-শাশুড়ির কোনো ভাবনা ছিল না। পরে ফের শ্বশুরের ধর্ষণের শিকার হন ওই নারী। গতকাল মঙ্গলবার এ ঘটনার স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি। তবে আসামিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে। পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে সচেষ্ট আছেন তারা।

কুষ্টিয়ার শহরতলি এলাকার একটি হাউজিংয়ে গত রোববার দ্বিতীয়বার শ্বশুরের ধর্ষণের শিকার হন ওই নারী। গত সপ্তাহের মাঝামাঝিতে তাকে প্রথমবার ধর্ষণ করে বাবুল জোয়ারর্দ্দার (৬০) নামে ওই ব্যক্তি। এ ঘটনায় তার স্ত্রী নাসিমা বেগম (৫০) ও ছেলে নাসিমুল ইসলাম সাগরের (৩১) বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাবুল জোয়ার্দ্দারের ছেলে নাসিমুল ইসলাম সাগরের সঙ্গে এক লক্ষ টাকা দেনমোহরে ভুক্তভোগীর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পার না হতেই সাগরের পরিবারের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগীর কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। না দিতে পারায় ভুক্তভোগীকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেন সাগর। পারিবারিকভাবে দেন-দরবার করে গত ২০-২২ দিন আগে তার ফের স্বামীর বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগীর মা জানান, তার জামাতা সাগর অধিকাংশ সময় বাড়ি থাকে না। এ সুযোগ নিয়ে বাবুল জোয়ার্দ্দার তার মেয়েকে ধর্ষণ করেন। গত সপ্তাহে প্রথমবার ধর্ষণের শিকার হলে স্বামী-শাশুড়িকে বিষয়টি জানায় তার মেয়ে। কিন্তু তারা বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে নানা ধরনের টালবাহানা শুরু করেন। গত রোববার তার মেয়ে ফের শ্বশুরের ধর্ষণের শিকার হন। পরে তিনি বিষয়টি মেয়ের কাছে জানতে পারেন। এরপর তিনি মেয়েকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। গতকাল মঙ্গলবার স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে তার মেয়ে মামলা করেন। কিন্তু আসামিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘মামলা হয়েছে। আসামি ধরা পড়েনি খবর সত্য। তবে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারে শতভাগ সচেষ্ট।’ -ডেস্ক